স্ত্রীর আর্জি খারিজ করে ওয়াংচুককে সরকারি হাসপাতালেই থাকার নির্দেশ আদালতের
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির ধর্নামঞ্চে অনশনরত লাদাখের শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবাদী সোনম ওয়াংচুককে পুলিশ শনিবার জোর করে সফদরজং হাসপাতালে নেওয়ার পর এবার সেই হাসপাতালেই তাকে থাকা নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট।
ওয়াংচুককে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো। কিন্তু দিল্লি হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে। উচ্চ আদালত জানিয়েছে, সরকারি হাসপাতালে রেখে সোনমের চিকিৎসা হলে তাতেই মোটেই তার শারীরিক স্বাধীনতা হরণ করা হয় না।
স্বচ্ছতার অভাবের কারণে হাসপাতালের ওপর আস্থা নেই অভিযোগ করে ওয়াংচুকের স্ত্রী আংমো তাকে গুরগাঁওয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করাতে চেয়েছিলেন। তার সেই আবেদনের ভিত্তিতেই রবিবার জরুরি ভিত্তিতে শুনানি হয় হাইকোর্টে।
আংমোর পক্ষে আইনজীবী কপিল সিবাল যুক্তি দেন, “কোন হাসপাতালে নিজের চিকিৎসা করানো হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে আমার মক্কেলের।”
পাল্টা যুক্তিতে কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা বলেন, “সোনম ওয়াংচুকের জীবন নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। দেশের রাষ্ট্রপতিও সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা করান।”
শুনানি শেষে বিচারপতি মিনি পুষ্করণার বেঞ্চ বলেছে, সোনমের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ার পরও তিনি নিজে থেকে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছিলেন না। সে দিক দিয়ে সরকারের কোনও রকম ‘খামখেয়ালি’ করেনি।