মিনা পাল থেকে রূপালী পর্দার ‘মিষ্টি মেয়ে’, নায়িকা কবরীর যত অবদান

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৩০

ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পী, পরিচালক ও রাজনীতিবিদ সারাহ বেগম কবরীর আজ রোববার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী। ষাট ও সত্তরের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় এই শীর্ষ নায়িকা ১৯৫০ সালের ১৯শে জুলাই চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বোয়ালখালীতে জন্ম হলেও তার শৈশব ও কৈশোরের পুরোটা সময় কেটেছে চট্টগ্রাম নগরীতে। পিতা শ্রীকৃষ্ণ দাস পাল এবং মা শ্রীমতি লাবণ্য প্রভা পালের সন্তান মিনা পাল পরবর্তীতে চলচ্চিত্র জগতে এসে ‘কবরী’ নামে দেশজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন।


জন্মদিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা যাক এই কিংবদন্তির বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও তার কালজয়ী অবদানকে। 


নৃত্যশিল্পী থেকে চলচ্চিত্রের শীর্ষ আসন


কবরীর প্রকৃত নাম ছিল মিনা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রথম মঞ্চে কাজ শুরু করেছিলেন। এর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মাত্র ১৪ বছর বয়সে জরিনা চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক সত্য সাহা মূলত সুভাষ দত্তকে মিনা পালের সন্ধান দিয়েছিলেন; কণ্ঠ ও সংলাপ পরীক্ষার পর সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘কবরী’। 


প্রথম ছবিতেই তার অভিনয় দারুণ প্রশংসিত হয়। এরপর জহির রায়হানের উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র ‘বাহানা’ এবং খান আতাউর রহমানের ‘সোয়ে নদীয়া জাগে পানি’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ১৯৬৮ সালে তার অভিনীত লোককাহিনিনির্ভর ছবি ‘সাত ভাই চম্পা’ ব্যবসায়িকভাবে বিপুল সফলতা অর্জন করে; যা পরবর্তীতে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সেরা দশ বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান করে নেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও