পানিবন্দী লাখো মানুষ, রেল ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত

www.ajkerpatrika.com চট্টগ্রাম প্রকাশিত: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫

টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের ১৩টি উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার ও পার্বত্য বান্দরবানের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা, সড়ক তলিয়ে যাওয়া, পাহাড়ধস ও গাছ উপড়ে পড়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় ওই রুটে ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।


স্থানীয় সংবাদকর্মী ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, রাউজান, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, বাঁশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বহু পরিবার পানিবন্দী থাকায় রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে এবং অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে


উজানের পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু, ডলু ও টঙ্কাবতী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। কোথাও কোথাও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকেছে। সাতকানিয়ার ধর্মপুর, বাজালিয়া ও চরতী এবং লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, বড়হাতিয়া, পুটিবিলা ও আধুনগর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষিজমি, মাছের ঘের ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


লোহাগাড়ার আধুনগর এলাকায় ডলু নদীর সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে মহাসড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের একাধিক স্থানে সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও