You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বিভ্রান্তি ও একজন বিদেশি বীর প্রতীক

সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন পিতা মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ হয়েছেন। পরে দেখা গেল সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে। অতঃপর কাহিনি বদলে গেল। এবার মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেলেন তাঁর দাদার আপন ভাই!

আর একজন টিভি উপস্থাপিকা, শুধু হেঁড়ে গলায় ‘আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান’—এই বাক্য বলে লাইম লাইটে চলে এলেন।

বিপদে পড়লে সবাই এখন মুক্তিযোদ্ধা বা সে পরিবারের কেউ হতে চায়, কেন? কারণ এটাই মূল, এটাই দেশ ও ইতিহাস। আসুন, রক্তজলে গড়া এক মুক্তিযোদ্ধার কাহিনি জানি আজ, যিনি একমাত্র বিদেশি ‘বীর প্রতীক’।

আমি সিডনিতে অভিবাসন নিয়ে ১৯৯৬ সালে আসার পর এই মানুষটির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। কিন্তু তিন হাজার কিলোমিটার দূরে পার্থ শহরে উড়ে যাওয়ার মতো ডলার ছিল না পকেটে। ছিল না গাড়ি। ফলে টেলিফোনই ভরসা। কিন্তু তত দিনে তিনি শেষ শয্যায়। তার ওপর প্রচণ্ড অভিমানে বাংলাদেশের জন্য অপার ভালোবাসার পরও কোনো বাঙালির সঙ্গে সহজে কথা বলতে চান না। যে দেশের জন্য তিনি জান বাজি রেখে লড়েছিলেন, তার যেকোনো পতনে তিনি বিচলিত হবেন—এটাই স্বাভাবিক। অনেক কষ্ট করে মাত্র একবার কথা বলতে পেরেছিলাম। আসুন, আজ সেই ভদ্রলোকের সঙ্গে পরিচিত হই। ভদ্রলোকের নাম আপনি না-ই জানতে পারেন, তবে জানে দেশ, দেশের রক্তমাখা মাটি, বৃক্ষ, ফুল, অগণন তারকারাজি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন