You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্ক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন মানসম্পন্ন গবেষণা

সাম্প্রতিক সময়ে একজন রাজনৈতিক নেতা (মন্ত্রী) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের মধ্যে যে বক্তব্য ও পাল্টাবক্তব্য জনসমক্ষে এসেছে, তা আমাদের সবাইকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। বিষয়টি শুধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মতপার্থক্যের নয়, বরং এটি আমাদের সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর মান, মূল্যবোধ ও পেশাগত সংস্কৃতি নিয়ে ভাবার সুযোগ করে দিয়েছে, যেখান থেকে ভবিষ্যতের আমলা, গবেষক, শিক্ষক, নীতিনির্ধারক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরি হয়।

ব্যক্তিগত মন্তব্য বা কোন বিশ্ববিদ্যালয় কোনটির চেয়ে শ্রেষ্ঠ—এই বিতর্কে সময় ব্যয় না করে আমাদের আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন করা উচিত—গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থান কোথায়?

খোলামেলা একটি পর্যবেক্ষণ শেয়ার করতে চাই। বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান, গবেষণা অবকাঠামো এবং উদ্ভাবনব্যবস্থা এখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছেনি, যা দেশের বড় বড় জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যথেষ্ট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এর প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই অর্থনীতি, পরিবেশ, জাতীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে গবেষণাভিত্তিক সমাধানের তুলনামূলক স্বল্প উপস্থিতিতে।

এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে—গবেষণার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? গবেষণা শুধু একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন, প্রকাশনার সংখ্যা বৃদ্ধি, পদোন্নতি লাভ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নত করার জন্য হওয়া উচিত নয়। গবেষণার চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন জ্ঞান সৃষ্টি করা, যা বাস্তব সমস্যার সমাধান দেয় এবং জাতীয় উন্নয়নে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে অবদান রাখে।

একটি কার্যকর গবেষণা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারে, পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে পারে, দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটাতে পারে, জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে পারে এবং শিক্ষার মান উন্নত করতে পারে। আমরা কি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে আমাদের দেশে পরিচালিত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গবেষণা জাতীয় পর্যায়ে এসব খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনে দিয়েছে? এই প্রশ্নের সৎ উত্তর খুঁজে বের করা নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সবার দায়িত্ব।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং জাতীয় সক্ষমতা উন্নয়নে কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করেছে। গবেষণা ও উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করে তারা অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। এ থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার অনেক কিছু রয়েছে।

সুতরাং মূল আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত নয় কোন বিশ্ববিদ্যালয় কোনটির চেয়ে ভালো। প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হলো—কিভাবে আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গবেষণা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারি, যা একই সঙ্গে দেশের বাস্তব প্রয়োজন ও জাতীয় অগ্রাধিকারের প্রতি সংবেদনশীল থাকবে। প্রতিটি গবেষণা প্রকল্পকে শুধু একাডেমিক মানদণ্ডে নয়, বরং সমাজ ও দেশের উন্নয়নে তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অবদানের ভিত্তিতেও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন