You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শিশুর আচরণ দেখে বুঝে নিন শরীরে পুষ্টির অভাব আছে কি না

শিশুর মেজাজ খিটখিটে? পড়া কিংবা খেলায়ও ঠিকভাবে মনোযোগ দিতে পারে না? এই সমস্যা শুধু আপনার একার সন্তানের নয়, বরং বেশিরভাগ মা-বাবাই তাদের শিশু সন্তানকে এমন সমস্যায় ভুগতে দেখছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর আচরণের সঙ্গে পুষ্টির একটি যোগসূত্র রয়েছে। শিশু বিকাশ এবং পুষ্টি বিষয়ক আধুনিক গবেষণা ধারাবাহিকভাবে দেখায় যে মস্তিষ্ক এবং অন্ত্র গভীরভাবে সংযুক্ত। সুখবর হলো, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শিশুর আচরণকে উন্নত করতে পারে।

প্রতিটি খাবারে প্রোটিন যোগ করুন

মস্তিষ্কের বিকাশ এবং মানসিক ভারসাম্যের জন্য প্রোটিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। শিশুর খাদ্যে পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাব থাকলে দুর্বলতা, মনোযোগ দিতে সমস্যা বা খিটখিটে মেজাজ দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে এটি শেখার ক্ষমতা এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণকে প্রভাবিত করে। পর্যাপ্ত প্রোটিন শিশুকে পড়াশোনা বা অন্যান্য কাজে মনোযোগ উন্নত করতে, সারাদিন শক্তি বজায় রাখতে এবং শান্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে। দুধ, মাংস, ডিম, ডাল, বাদাম এবং বীজের মতো দৈনন্দিন খাবারের মাধ্যমে সহজেই শিশুর খাদ্যতালিকায় প্রোটিন যোগ করতে পারেন।

অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখুন

অন্ত্রের স্বাস্থ্য শিশুর মেজাজ এবং আচরণকে প্রভাবিত করে। আধুনিক গবেষণা দেখিয়েছে যে সুস্থ পরিপাকতন্ত্র মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হলে শিশুরা খিটখিটে ও অস্থির হয়ে উঠতে পারে। শিশুর অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করার জন্য কোনো বিশেষ খাদ্যাভ্যাসের প্রয়োজন হয় না। দই, ঘোল, দোসার মতো গাঁজানো খাবার, ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্যের মতো আঁশযুক্ত খাবার, প্রিবায়োটিক এবং পর্যাপ্ত পানিপান সুস্থ অন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন