১৬ বছর ধরে নিষ্ক্রিয় পপুলেশন কাউন্সিল, বাড়ছে প্রজনন হার

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৫

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি ঠিক করা, এর বাস্তবায়ন দেখভাল করা এবং প্রয়োজন হলে নীতিতে পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব ন্যাশনাল পপুলেশন কাউন্সিলের (এনপিসি)। কিন্তু সেই কাউন্সিলই গত ১৬ বছর ধরে কার্যত নিষ্ক্রিয়। সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে। এর মধ্যে দেশে দুটি নতুন জনসংখ্যা নীতি হয়েছে, অথচ কাউন্সিলের একটি বৈঠকও হয়নি। কাউন্সিলটি এমন একটা সময়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে, যখন বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে প্রথমবার মোট প্রজনন হার (টিএফআর) বেড়েছে।



বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, প্রজনন হার বাড়লে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে দারিদ্র্য বাড়তে পারে, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং অপুষ্টির পরিস্থিতিও খারাপ হতে পারে।


কাউন্সিলটি নিষ্ক্রিয় থাকায় এর দুটি বাস্তবায়নকারী সংস্থাও কার্যত অচল হয়ে আছে। এর একটি হলো স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন নির্বাহী কমিটি। অন্যটি স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন একটি টাস্কফোর্স।


এই সময়ে বাংলাদেশ দুটি জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করেছে, ২০১২ সালে একটি এবং ২০২৫ সালে আরেকটি। কিন্তু এই দুই নীতি গ্রহণের সময় কাউন্সিলের একটিও বৈঠক হয়নি। অথচ পপুলেশন কাউন্সিলের দায়িত্বই হলো নীতি বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে নীতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া।


এদিকে সর্বশেষ জনসংখ্যা নীতিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাউন্সিলের সচিবালয় হিসেবে কাজ করবে এবং বছরে অন্তত একবার কাউন্সিলের বৈঠকের আয়োজন করবে।


২০২৫ সালের এপ্রিলে ন্যাশনাল পপুলেশন কাউন্সিল নতুন করে গঠন করা হয়। তখন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে কাউন্সিলের চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। 


তবে নতুন করে গঠনের পরও এখন পর্যন্ত কাউন্সিলের কোনো বৈঠক হয়নি। কাউন্সিল পুনর্গঠনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, বছরে অন্তত দুবার এর বৈঠক করতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও