টানা রোদে ধানের পচা গন্ধ কাটছে, হাওরে কৃষকের দুঃখ রয়েই গেছে

প্রথম আলো সুনামগঞ্জ প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ০৯:৫৬

সুনামগঞ্জের হাওরে এখন আর কোনো ধানই ভেসে নেই। সবই পানির নিচে। তলিয়ে থাকতে থাকতে ধানে পচন ধরেছে। তবে উঁচু অংশে এখনো কিছু ধান আছে। সেগুলো কাটছেন কৃষকেরা। আবার যাঁদের উঁচুতে জমি নেই, তাঁরা শেষ সম্বল পানির নিচের আধপচা ধানেরই কিছু কিছু কাটার চেষ্টা করছেন। এ জন্য নৌকা লাগছে। গলাসমান, কোথাও তার চেয়ে বেশি পানিতে নেমে ধান কাটতে হচ্ছে। এটি কৃষকদের জন্য বড় কষ্টের।


টানা কয়েক দিন রোদ থাকায় হাওরের খলায় রাখা ধান শুকানোর প্রাণপণ চেষ্টা করছেন কৃষকেরা। এসব ধানেও চারা গজিয়েছে, আবার অনেকের ধান শুকাতে না পারার কারণে খলার স্তূপেই নষ্ট হয়েছে। গন্ধ ধরে গিয়েছিল সেই ধানে। হাওরে রোদে ধানপচা গন্ধ এখন কাটছে, তবে কৃষকের দুঃখ-দুর্ভোগ এখনো রয়েই গেছে। এরই মধ্যে আগামী সপ্তাহে আবারও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।


জেলার দেখার হাওরে পানির নিচে এখনো কৃষক আবদুল মতিনের (৬০) দেড় বিঘা জমির ধান। ধানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর আবদুল মতিন সোমবার দুপুরে কলেজপড়ুয়া ছেলে জুনায়েদ আহমদকে সঙ্গে নিয়ে সেই ধান কাটার চেষ্টা করছেন। এ জন্য এক হাজার টাকায় এক দিনের জন্য একটি ছোট নৌকা ভাড়া নিয়েছেন। বাবা-ছেলে মিলে গভীর হাওর থেকে ধান কেটে এনে রাখছিলেন হাওরপাড়ে। মাথার ওপর কড়া রোদ।


ধান রাখতে রাখতে কথা হয় আবদুল মতিনের সঙ্গে। তিনি জানান, ৯ বিঘা জমির মধ্যে এবার বৈশাখের শুরুর দিকেই জলাবদ্ধতায় ৪ বিঘা তলিয়েছে। এরপর তিন বিঘার কিছু বেশি জমির ধান কেটেছেন। পরে ঢলের পানি এসে বাকি জমির সব ধান তলিয়ে দেয়। এখন রোদ থাকায় পানির নিচের সেই ধান কাটার চেষ্টা করছিলেন। সদর উপজেলার রাবারবাড়ি গ্রামে এই কৃষকের বাড়ি।


হাওরে গিয়ে দেখা যায়, ধান শুকানোতেই ব্যস্ততা বেশি কিষানিদের। কেউ কেউ কাটা ভেজা ধান শুকাতে দিচ্ছেন। শুকানোর পর সেগুলো মেশিনে মাড়াই করা হবে। আবার দূরে গভীর হাওরে ডুবে যাওয়া ধান কেটে এনে পাড়ে রাখছিলেন কেউ কেউ। তবে এই সংখ্যা কম। কারণ, অনেকেই ডুবে যাওয়া ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও