You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘ভাগেযোগে’ পাথর লুট, সুউচ্চ-সবুজ শাহ আরেফিন টিলা এখন ‘সাগর’

একসময় সবুজে আচ্ছাদিত সিলেটের সুউচ্চ শাহ আরেফিন টিলা গত প্রায় দুই দশকে ‘পাথর-খোকোদের’ তাণ্ডবে এখন রীতিমত ‘সাগরে’ পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে হয়রত শাহ জালালের (রহ.) সঙ্গী হয়রত শাহ আরেফিন (রহ.) স্মৃতিবিজড়িত ধর্মীয় স্মৃতিচিহ্নও বিলীন হয়ে গেছে।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার এই টিলার ভাঁজে ভাঁজে লালচে-বাদামি আঠালো মাটির নিচে স্তরে স্তরে ছোট-বড় অসংখ্য পাথর; যা স্থানীয়দের কাছে ‘পাথরের খনি’ নামে পরিচিত ছিল। রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসৎ কর্মকর্তারা ‘ভাগেযোগে’ অবৈধ ‘বোমা মেশিন’ বসিয়ে পাথর উত্তোলন করে এই লুটপাট চালিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শাহ আরেফিন টিলায় এখন অন্তত ছোট-বড় ১০০ গর্ত আছে; যার গভীরতা ২০ থেকে ৩০০ ফুট পর্যন্ত। তবু থামছে না ‘পাথর-খেকোদের’ তাণ্ডব। রাতের আঁধারে ট্রলি ও ট্রাক্টর দিয়ে পাথর যাচ্ছে ভোলাগঞ্জ এলাকার ক্র্যাশার মিলেগুলোতে। উপরে থাকে বালু, আর নিচে পাথর। ট্রাক থেকে টাকা তোলা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজি যোগাযোগামাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে পাথর লুটপাট চলছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর’ ব্যাপক হারে পাথর লুট শুরু হয়। শুধু শাহ আরেফিন টিলা নয়, সিলেটের অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্র থেকেও ‘বালু-পাথর লুটের মহোৎসব’ শুরু হয়েছিল তখন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে প্রশাসনের ‘তৎপরতা’ কিছুটা বাড়ে। তখন কদিন পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল।

তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর লুটেরারা আবার ‘দ্বিগুণ উৎসাহ’ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে শাহ আরেফিন টিলায়। ফলে এখানে ‘মূল’ টিলার প্রায় কিছুই নেই; ‘৯০ শতাংশ’ পাথর লুট হয়ে গেছে। পাথর তুলে নেওয়ার পর যে গর্ত হয়েছে, তাতে পাশের বসতভিটাগুলোও পড়েছে ভাঙনের মুখে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন