আপনিও কি ‘কোয়ার্টার লাইফ ক্রাইসিসে’ ভুগছেন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৩ মে ২০২৬, ১৩:২৩

২০২৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন তৌফিক হাসান (ছদ্মনাম)। তিন বছর পেরিয়েছে, এখনো বেকারত্ব ঘোচাতে পারেননি। বর্তমানে ঢাকায় আছেন। একসময় ফেসবুক, লিংকডইনের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে সময় দিতেন, কাজ খুঁজতেন। এখন সেটাও কমিয়ে দিয়েছেন। বন্ধুদের কেউ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন, কেউ ব্যাংকে, কেউ সরকারি চাকরিতে। তাঁদের পোস্টের নিচে অভিনন্দন আর শুভেচ্ছার বন্যা। দেখে ভালো লাগে, কিন্তু একধরনের হতাশাও কাজ করে। কিছুদিন আগেও একসঙ্গে ক্যাম্পাসে আড্ডা দিয়েছেন, রাত জেগে অ্যাসাইনমেন্ট করেছেন। এখন সবার পথ আলাদা। মনে হয় তৌফিক একাই থমকে আছেন, বাকি সবাই এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষে হঠাৎ জেঁকে ধরা এই শূন্যতাকেই বলে ‘কোয়ার্টার লাইফ ক্রাইসিস’।


চার-পাঁচ বছর ক্যাম্পাসের নিয়মিত রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন একজন শিক্ষার্থী। সকাল আটটায় ক্লাস, ল্যাব, দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ক্যানটিনে খাওয়া, বিকেলে আড্ডা আর রাতে অ্যাসাইনমেন্ট বা পরীক্ষার পড়া। এই পুরো সময়টাতে একটা নির্দিষ্ট পরিচয় থাকে—আমি একজন ‘শিক্ষার্থী’। কিন্তু সমাবর্তনের গাউন খুলে ফেলার পর বা ফাইনাল পরীক্ষার শেষ ঘণ্টা বাজলে হঠাৎ সেই পরিচয়টা মুছে যায়। পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আর ক্লাস থাকে না, সিলেবাস থাকে না, তাড়া থাকে না। চাকরি কিংবা বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিতেও অনেক সময় মনোযোগ আসে না। চারপাশের নানা পরিস্থিতি তাঁকে আরও বেশি হতাশ করে দেয়।


বিষয়টা বুঝিয়ে বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাউফুন নাহার, ‘বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা একটা বড় সমস্যা। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। ফলে নতুনেরা পিছিয়ে পড়ে। আরেকটা ব্যাপার হলো, আমাদের দেশের শিক্ষাগত জ্ঞান ও কর্মক্ষেত্রে বাস্তব যে দক্ষতার প্রয়োজন হয়—দুইয়ের মধ্যে বড় পার্থক্য আছে, যাকে বলে স্কিল গ্যাপ। আবার অনেক ক্ষেত্রে সবকিছু থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় নেটওয়ার্কিং বা রেফারেন্সের অভাব। ক্যারিয়ারের শুরুতে কম বেতন ও চাকরির অনিশ্চয়তা তরুণদের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। এই সময় এক দিকে ক্যারিয়ারের নানা টানাপোড়েন, পরিবারের প্রত্যাশা, বিয়ে করে পরিবার তৈরির ভাবনা—সব মিলিয়ে তরুণদের মধ্যে তীব্র মানসিক চাপ অনুভূত হতে পারে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও