সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সাংবাদিকতা : টিকে থাকা ও স্বাধীনতার সংকট

ঢাকা পোষ্ট রাহাত মিনহাজ প্রকাশিত: ০৩ মে ২০২৬, ১২:০৮

মানব সমাজের তিনজনের মধ্যে দুইজন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন এবং নিশ্চিতভাবেই এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওয়াল এখন তাদের কাছে তথ্যপ্রাপ্তির প্রাথমিক সূত্র। যা মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে তথ্যপ্রাপ্তির বিশ্বস্ত মাধ্যম মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি।


একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। গণমাধ্যম গবেষণায় রয়টার্স ইন্সটিটিউট ২০২৫ সালে ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট শিরোনামের একটি গবেষণা পরিচালনা করে। যাতে উঠে আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও নেটওয়ার্ক (ইউটিউব, টিকটক, ইনস্টাগ্রামসহ অন্যান্য) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের সংবাদপ্রাপ্তির প্রাথমিক সূত্র হয়ে উঠেছে।


দেশটির অন্তত ৫৪ শতাংশ মানুষ এখন এক্স (টুইটার), ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে তথ্য পেয়ে থাকেন। যেখানে পিছিয়ে পড়েছে মূলধারার গণমাধ্যম টিভি ও সংবাদপত্র। আর এই পরিস্থিতিই বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকতার জন্য তৈরি করেছে নতুন এক বাস্তবতার, নতুন এক সংকটের। যাতে সার্বিকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও টিকে থাকার সামর্থ্য। 


প্রথমেই আসা যাক গণমাধ্যমের টিকে থাকার সামর্থ্যের দিকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আগ্রাসী বিস্তারের এই যুগে টেকসই গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা ও টিকে থাকার লক্ষ্যে ইউনেসকো ও ডি-ডব্লিউ একাডেমিয়া নিবিড়ভাবে কাজ করছে।


প্রতিষ্ঠান দুটির গবেষণালব্ধ কাঠামো অনুযায়ী টেকসই গণমধ্যমের কিছু পূর্ব শর্ত রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও পেশাগত দক্ষতাভিত্তিক মাপকাঠি। যেগুলোর ভিত্তিতে গণমাধ্যমের টিকে থাকা নিশ্চিত হয়। এটা বড় পরিসরের একাডেমিক আলোচনা। এই ছোট্ট পরিসরে বিস্তারিতভাবে সেই আলোচনায় যাওয়ার সুযোগ কম। তবে নিশ্চিতভাবেই গণমাধ্যমের অর্থনৈতিক দুর্দশার দিকটি আলোচনার দাবি রাখে।


আদিকাল থেকেই গণমাধ্যমের প্রধান আয়ের উৎস বিজ্ঞাপন। ইউনেসকোর World trends in freedom of expression and media development শিরোনামের গবেষণায় উঠে এসেছে, বর্তমানে মেটা (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটঅ্যাপ), এ্যালফাবেট (গুগল এর সার্ভিসসমূহ) ও অ্যামাজন এখন বিশ্বের বিজ্ঞাপন বাজারের ৫০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও