মুক্তিযুদ্ধ বিতর্কে স্পিকারের উঠে দাঁড়ানো কী বার্তা দিল?
‘কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সন্তান জামায়াত করতে পারে না’—বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের এমন মন্তব্যকে ঘিরে ২৮ এপ্রিল জাতীয় সংসদে যে হট্টগোল তৈরি হয়, সেটি থামাতে স্বয়ং স্পিকারকে উঠে দাঁড়াতে হয়। পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার ধারণ করে যে, সংসদের কার্যক্রম প্রায় ১০ মিনিটের জন্য থমকে যায়। শুধু তাই নয়, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মনে করিয়ে দেন যে, তিনি দাঁড়ালে সদস্যদের বসে পড়া উচিত। সদস্যদের আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘যারা অলরেডি দাদা হয়ে গিয়েছেন, তাদের নাতিরা হয়তো এখানে গ্যালারিতে বসে দেখছে। তারা কী ভাববে এটা সম্পর্কে? যদি চেয়ারের প্রতি এই সম্মান আপনাদের না থাকে, তাহলে জাতীয় সংসদের প্রতি মানুষের কোন রেসপেক্ট থাকবে?’
যেকোনো বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, এমনকি সেই বিতর্ক ও বিরোধিতার জেরে বিরোধী দলের ওয়াকআউট করাও সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চার অংশ। কিন্তু এটা মানতে হবে যে, সংসদের স্পিকার অত্যন্ত সম্মানীয় একজন মানুষ। সরকারি ও বিরোধী—উভয় দলের সদস্যরা তাঁকে মান্য করবেন, এটিই কাঙ্ক্ষিত।
- ট্যাগ:
- মতামত
- জাতীয় সংসদ