জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’

প্রথম আলো প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭

বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নতুন উৎস থেকে সরাসরি তেল কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। এ প্রক্রিয়ায় ৫৬টি বিদেশি কোম্পানি আবেদন করে কাজ পেয়েছে ৮টি। আরও কয়েকটি কাজ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ তেল সরবরাহ করেনি। অর্থাৎ গত দুই মাসে ‘জরুরি সরবরাহের’ জ্বালানি তেল আসেনি। এখন জুলাই-ডিসেম্বরের জন্য তেল কিনতে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।


যদিও দেশে আপাতত জ্বালানি তেলের সংকট নেই। বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর পর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় কমেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে আরও দুটি জাহাজ আসার আলোচনা আছে। মে মাসে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৭০ হাজার টন। ৩ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল আসার কথা নিশ্চিত করেছে সরবরাহকারীরা। অকটেনের চাহিদা ৩৭ হাজার টন। স্থানীয় উৎস থকে ২৪ হাজার টন পাওয়া যাবে। আমদানি হয়ে আসার কথা সাড়ে ২৬ হাজার টন। এর বাইরে সরাসরি ক্রয়প্রক্রিয়া থেকে ডিজেল ও অকটেন আমদানি হলে মজুত বাড়তে পারে।


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিবছর ৬ মাস করে দুই ধাপে তেল কেনার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। পরিশোধিত জ্বালানির ৫০ শতাংশ কেনা হয় সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) চুক্তির মাধ্যমে। আর বাকি ৫০ শতাংশ কেনা হয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে। গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের তেল কেনা মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। এবার সংকট পরিস্থিতিতে সরাসরি তেল কেনার প্রস্তাব বিবেচনা করতে গিয়ে পিছিয়ে গেছে বিপিসি। এখন স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে আবার সংকট সৃষ্টি হতে পারে।


জরুরি পরিস্থিতিতে তেল সংগ্রহের বিষয়ে বিপিসি সূত্র বলছে, গত ৭ মার্চ সরকারকে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রস্তাব দেয় একটি কোম্পানি। ৯ মার্চ সমঝোতা, কারিগরি কমিটির প্রতিবেদন ও বোর্ড সভার অনুমোদন দিয়ে পরদিন জ্বালানি বিভাগে পাঠানো হয়। ১২ মার্চ প্রথমে অর্থনৈতিক বিষয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও পরে ক্রয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও