গরমে আরামের ভ্রমণ পাহাড়ে

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৫৯

বৈশাখ মাস শুরু হয়ে গেল। তার মানে, গ্রীষ্মকাল শুরু। প্রচণ্ড গরম পড়বে এখন। হঠাৎ হঠাৎ হবে ঝড়। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মানে তীব্র দাবদাহ, উচ্চ আর্দ্রতা এবং ক্লান্তিকর আবহাওয়া। মার্চ থেকে জুন—এই সময়টায় দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে খোঁজেন একটু স্বস্তি, একটু শীতলতা। এখানেই পাহাড়ি অঞ্চল হয়ে ওঠে আদর্শ গন্তব্য।


কেন এই সময় পাহাড় ভ্রমণের জন্য ভালো?


এর রয়েছে বিভিন্ন কারণ। এগুলো যদি বুঝতে পারেন, তাহলে ভ্রমণ হবে আরামদায়ক।


প্রথমত, পাহাড়ি অঞ্চলের উচ্চতা তাপমাত্রা অনেকটা কমিয়ে দেয়। সাধারণভাবে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে ওঠা যায়, তাপমাত্রা ততই কমতে থাকে। বাংলাদেশের পাহাড়গুলো খুব বেশি উঁচু না হলেও বান্দরবান, খাগড়াছড়ি কিংবা রাঙামাটিতে সমতলের তুলনায় তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কম অনুভূত হয়। এই সামান্য পার্থক্যই গরমের দিনে বড় স্বস্তি এনে দেয়।


দ্বিতীয়ত, পাহাড়ি এলাকায় বাতাস চলাচল বেশি থাকে। খোলা প্রান্তর, উঁচু-নিচু ভূমি আর বনাঞ্চলের কারণে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে। ফলে সেখানে গরম স্থির হয়ে থাকে না, বরং বাতাসের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে; বিশেষ করে সাজেক বা নীলগিরির মতো উঁচু জায়গায় দাঁড়ালে যে শীতল বাতাস অনুভূত হয়, তা গরমের ক্লান্তি অনেকটাই দূর করে।


তৃতীয়ত, পাহাড়ি অঞ্চলে সবুজের আধিক্য গরম কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘন বন, গাছপালা ও ঝোপঝাড় সূর্যের তাপ শোষণ করে এবং পরিবেশ শীতল রাখে। গাছের ছায়া, জলাধার ও ঝরনা মিলিয়ে সেখানে একধরনের প্রাকৃতিক ‘কুলিং সিস্টেম’ তৈরি হয়। তাই বনভূমির ভেতর হাঁটলে কিংবা ঝরনার কাছে গেলে তাপমাত্রা আরও কম মনে হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও