ঢাবির 'গেস্টরুমে বড় ভাইদের নির্যাতনের’ বিবরণ দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের ‘গেস্টরুমে’ জুনিয়রদের ‘আদব-কায়দা’ শেখানোর নামে যে ‘নির্যাতনের সংস্কৃতি’ চালু করেছিল ছাত্রলীগ, তার বিবরণ ফেইসবুকে তুলে ধরেছেন এ সংগঠনেরই এক নেতা।


এক রাতে গেস্ট রুমে নিজে ‘নির্যাতিত হওয়ার’ বিবরণ তুলে ধরে আরিফ ইশতিয়াক রাহুল লিখেছেন, “আমি অবাক হয়ে গেলাম, এ কেমন ছাত্রলীগ যারা মঙ্গল শোভাযাত্রায় যাওয়ার জন্য এভাবে মারছে?”


নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী রাহুল ছিলেন ছাত্রলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক; থাকতেন স্যার এফ রহমান হলে।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গতবছর যে ১২৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছিল, তাদের মধ্যে রাহুলও রয়েছেন।


বৈষমবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর ‘নির্যাতন এবং হত্যার’ অভিযোগে ছাত্রলীগকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার।


মঙ্গলবার রাতে ওই ফেইসবুক পোস্টে রাহুল লেখেন, “আমার কিছু কথা আছে৷ আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ানক রাতের স্মৃতি। যেগুলো বলার জন্য আমি অপেক্ষা করেছি বেশ কিছু বছর। দল ক্ষমতায় থাকতে এই কথাগুলো বললে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকেরা কথাগুলো লুফে নিতো। ছাত্রলীগ চাপে পড়তো। তাই বলিনি। কিন্তু এখন বলা প্রয়োজন মনে করছি।


“২০২২ সালের ১৪ এপ্রিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার প্রথম পহেলা বৈশাখ। প্রগতিশীল ধারার সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে এই দিনটি আমার কাছে দুইটা ঈদের চেয়ে কোনো অংশে কম আনন্দের নয়। ২০১৮ থেকে ২০২১—এই চারটা বছর মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছি আর প্রতিবারই ভেবেছি, কোনো একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বো, তখন হল থেকে এসে শোভাযাত্রায় অংশ নেবো। বলতে গেলে এটা আমার কাছে এক রকম স্বপ্নের মতো ছিলো।”


তিনি লিখেছেন, “২০২২ সালে এসে আমার সেই দিনটি আসে। আমি খুবই রোমাঞ্চিত ছিলাম। তখনো ক্যাম্পাসে বাইক আনিনি। এপ্রিলের শুরু থেকে প্রতিদিনই হেঁটে হেঁটে চারুকলায় যেতাম। ঘুরেফিরে কাজ দেখতাম। ছবি তুলতাম। মঙ্গল শোভাযাত্রায় যাওয়ার জন্য পহেলা বৈশাখের আগের রাতে আজিজে গিয়ে একটা পাঞ্জাবিও কিনেছিলাম।


“এখন যেমন মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে তখনো হয়েছে। প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী গোষ্ঠী বিপুল সমারোহে মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালো। মঙ্গল শোভাযাত্রায় কাউকে না যাওয়ার জন্য ক্যাম্পেইন করলো। এ নিয়ে কয়েকদিন ফেইসবুকও খুব গরম ছিলো। যে কারণে আমার মঙ্গল শোভাযাত্রায় যাওয়ার ইচ্ছেটা আরো বেড়ে যায়।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও