এই যুদ্ধবিরতি কেন পাকিস্তানের ‘সবচেয়ে বড়’ কূটনৈতিক বিজয়
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে সম্মত হয়েছে। এই ঘোষণার আগে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা (এর বেশিরভাগটাই আড়ালে হয়েছে) চলেছে বলে পাকিস্তানের দ্য ডন পত্রিকাকে জানিয়েছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। তাঁদের মতে, পাকিস্তানের ধারাবাহিক মধ্যস্থতা ছাড়া এই অগ্রগতি সম্ভব হতো না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই ইসলামাবাদ তৎপর হয়ে ওঠে। প্রথম হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই পাকিস্তানি কর্মকর্তারা কয়েকটি দেশের রাজধানীতে কূটনৈতিক যোগাযোগ সক্রিয় করতে শুরু করেন। প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখলেও নীরবে পাকিস্তান নিজেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। উল্লেখ্য, এ দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। ওয়াশিংটনে ইরানের স্বার্থ রক্ষাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা থাকায় তেহরান ও ওয়াশিংটন দুই রাজধানীতেই পাকিস্তানের একটি বিরল প্রাতিষ্ঠানিক উপস্থিতির সুযোগ তৈরি করে দেয়।
- ট্যাগ:
- মতামত
- যুদ্ধবিরতি