You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ঋণখেলাপি ছিলেন, এখন তাঁরা সংসদে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগে ঋণখেলাপির তালিকায় নাম ছিল বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের। তিনি এখন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট—এ তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

সিলেট সিটি করপোরেশন ও সিলেট সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচন করেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ২৯ ডিসেম্বর। সব প্রার্থীর ঋণের তথ্য যাচাই করে গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) থেকে দুটি তালিকা পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশনে।

সিআইবির একটা তালিকায় ঋণখেলাপি হিসেবে ৮২ জনকে চিহ্নিত করা হয়। অপর তালিকায় ৩১ জনের নাম দেওয়া হয়, যাঁদের সবাই উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় তালিকায় ছিল খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নাম। মানে হলো, তিনি আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন, জয়ী হয়েছেন, সংসদে গিয়েছেন এবং মন্ত্রীও হয়েছেন।

এভাবে ঋণখেলাপির তালিকায় নাম থাকা অনেকে এবারের সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে শুরুতে ৩১ জনকে সুযোগ দিয়েছিলেন আদালত। চূড়ান্ত বিচারে ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর (কুমিল্লা-৪) প্রার্থিতা বাতিল হয়। তিনি নির্বাচন করতে পারেননি। বাকি ৩০ জন পেরেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জন সংসদ সদস্য (এমপি) হয়েছেন, যাঁরা ইতিমধ্যে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির দুজন প্রার্থী বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশন এখনো তাঁদের নামে প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। যদিও তাঁরা আশা করছেন, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন