জিয়া হত্যার ৪৫ বছর: সার্কিট হাউসের সেই রক্তাক্ত ভোর, যে ইতিহাস এখনো অসমাপ্ত

প্রথম আলো প্রকাশিত: ৩০ মে ২০২৬, ০৯:৪৯

৪৫ বছর আগে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোর, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের নিস্তব্ধতা ভেঙে যায় মেশিনগানের গুলিতে। সেখানে অবস্থান করছিলেন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। আগের দিন তিনি চট্টগ্রামে এসেছিলেন দলের স্থানীয় বিরোধ মেটাতে। ভোর হওয়ার আগেই সেই সফর পরিণত হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়ে।


তখন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ছিলেন জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরী। তাঁর বাসভবন ছিল ডিসি হিলে, সার্কিট হাউস থেকে মাইলখানেক দূরে। ভোরের দিকে গোলাগুলির শব্দে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। প্রহরী এসে জানায়, গুলির আওয়াজ সার্কিট হাউসের দিক থেকে আসছে। পরে সার্কিট হাউস-সংলগ্ন সরকারি গ্যারেজ থেকে সহকারী প্রটোকল অফিসার মোশতাক তাঁকে ফোন করে জানান, ভোর চারটার দিকে সেনাবাহিনীর কয়েকটি গাড়ি গুলি করতে করতে সার্কিট হাউসে ঢুকেছে। তিনি ডাইনিংরুমের টেবিলের নিচে লুকিয়ে ভারী বুটের শব্দ, সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার শব্দ এবং আরও গুলির আওয়াজ শুনেছেন।


কিছুক্ষণ পর বিভাগীয় কমিশনার সাইফুদ্দিন ফোন করে জেলা প্রশাসককে জানান, রাষ্ট্রপতি জিয়া নিহত হয়েছেন। এরপর বিভাগীয় কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরী সার্কিট হাউসে যান। সেখানে তিনি দেখেন, প্রধান ফটক খোলা। নেই কার্যকর প্রহরা, নেই সেনাবাহিনীর উপস্থিতি। ওপরতলায় রাষ্ট্রপতির কক্ষের দরজার কাছে সাদা কাপড়ে ঢাকা পড়ে আছে জিয়াউর রহমানের মরদেহ।


জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরীর লেখা বই দুই জেনারেলের হত্যাকাণ্ড: ১৯৮১-র ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান-এ উঠে আসা এই দৃশ্য শুধু একজন প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতি নয়; এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার ইতিহাসের আরেক নির্মম চিত্র। তবে সে ঘটনার নেপথ্যের সবকিছু ৪৫ বছরেও স্পষ্ট হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও