জ্বালানি তেল নিয়ে আসছে ৬টি জাহাজ, অনিশ্চিত ৫টি
ছুটির দ্বিতীয় দিনেও জ্বালানি তেল নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রাজধানীর মানুষের। যেসব ফিলিং স্টেশনে তেল আছে, সেখানে লম্বা লাইন। আর কোথাও কোথাও তেল না থাকায় বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আজ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। ঈদের দিন ও ঈদের পরদিন ডিপো থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহে জ্বালানি তেল নিয়ে পাঁচটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রির কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এ সংস্থার হয়ে ডিলার ও ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহের কাজটি করে তিন সরকারি তেল কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা। সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় তিন কোম্পানির ডিপো আছে। এসব ডিপো থেকে তেল নেয় প্রায় আড়াই হাজার ফিলিং স্টেশন। এসব স্টেশন থেকে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রি হয়।
গত রোববার একটি অফিস আদেশ জারি করেছে বিপিসি। এতে বলা হয়, ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত ন্যূনতম প্রয়োজনমাফিক জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে। তবে ঈদের দিন ও পরদিন ডিপো বন্ধ থাকবে। ২৩ থেকে ২৫ মার্চ গত বছরের চাহিদার মতোই সরবরাহ করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ সূত্র বলছে, এ মাসে মোট ১৮টি জাহাজ আসার কথা। এর মধ্যে ৭টি জাহাজ ইতিমধ্যে এসে তেল খালাস করেছে। আগামী সপ্তাহে আরও ৫টি জাহাজ আসার সময়সূচি নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে চারটিতে ডিজেল ও একটিতে ফার্নেস তেল থাকবে। তবে আরও পাঁচটি জাহাজের সময়সূচি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আর একটি এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আসতে পারে। এগুলো পিছিয়ে গেলে মজুত নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে। বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি জ্বালানি তেল কিনতে আলোচনা করছে সরকার। সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কাজাখস্তান থেকে ২ লাখ টন ডিজেল আনার প্রক্রিয়া চলছে।