You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এত জঘন্য হত্যাকাণ্ড, দ্রুত বিচার হলো না!

নানা নাটকীয়তা ও গোপনীয়তার গ্যাঁড়াকলে পড়ে পিলখানার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রকৃতপক্ষে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করে এ দেশের মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডের আদৌ কোনো বিচার পাওয়া যাবে কিনা, জনমনে এখন সে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। বহুল প্রচলিত ইংরেজি একটি প্রবাদ আছে, ‘জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড’। এ প্রবাদটি মূলত একটি আইনি নীতি, যার অর্থ ন্যায়বিচারে দেরি হওয়া মানেই ন্যায়বিচার অস্বীকার করা। এ কথাটির মূল উৎস ১২১৫ সালের ম্যাগনা কার্টা, যা ঐতিহাসিক দলিল বলে ধরা হয়, যেখানে বলা হয়েছিল, To no one will deny or delay right। ম্যাগনা কার্টার ৪০ নম্বর ধারায় ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে এ কথাটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলেই এ বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার একটি সূক্ষ্ম কৌশল অনুসরণ করা হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের পর হাসিনা সরকারের তরফ থেকে দুটো মামলা করা হয়েছিল। একটি হত্যাকাণ্ড মামলা এবং আরেকটি ছিল বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা। সে সময় পাবলিক সেন্টিমেন্টকে ঠান্ডা রাখার জন্য হত্যা মামলাটি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হলেও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। হত্যা মামলার আসামি সবাইকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার আসামি করা হয়েছিল। হত্যা মামলাটি দ্রুত এগিয়ে নিয়ে বিচারিক আদালতে রায় ঘোষণা করা হলেও ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলার এক হাজার ৩৩৪ জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র দুই শতাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা শেষ হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের আসামিরাই যেহেতু বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলার আসামি, কাজেই এ মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রায়ও কার্যকর করা সম্ভব হবে না। এভাবেই হাসিনা সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পুরো প্রক্রিয়াটিকে ঝুলিয়ে রেখেছিল। সুতরাং, সবকিছু মিলিয়ে এ দুটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কবে হবে, তা বলা মুশকিল ছিল। উল্লেখ্য, হত্যাকাণ্ড মামলার রায় দেওয়ার সময়েই উচ্চ আদালত নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যচারীদের শনাক্তের জন্য একটি তদন্ত কমিশন গঠন করার জন্য হাসিনা সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। অথচ নেপথ্যচারীদের খুঁজে বের করার কোনো ইচ্ছাই শেখ হাসিনার ছিল না। অতঃপর তিনি আদালতের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাধীন তদন্ত কমিশনও গঠন করেননি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন