You have reached your daily news limit

Please log in to continue


জাপানে বাংলা ভাষার অগ্রযাত্রা

জাপানের সঙ্গে অবিভক্ত বাংলা অঞ্চলের সম্পর্ক শতবর্ষাধিক। ১৮৭৮ সালে জাপানের মিকাদো তথা মেইজি সম্রাট মুৎসুহিতো এবং কলকাতার পাথুরিয়াঘাটার ঠাকুর পরিবারের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব সংগীতজ্ঞ, সংগীতের ইতিহাসবিদ রাজা শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুরের মধ্যে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বিনিময়ের ঘটনাই জাপান-বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রকৃত সূচনা। এই ঘটনার ২০ বছর পর ১৯০২ সালে ব্রিটিশ-ভারতের রাজধানী কলকাতায় পদার্পণ করেন নমস্য জাপানি মনীষী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কালজয়ী লেখক গবেষক শিল্পাচার্য ওকাকুরা তেনশিন।

সেই সময়কার সদ্য বিশ্বখ্যাত সনাতন ধর্মের সংস্কারক সন্ন্যাসী জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী স্বামী বিবেকানন্দ এবং উদীয়মান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে সাক্ষাতের ভিত্তিতে বাঁধা পড়েন তিনজন গভীর বন্ধুত্বে। ভারতীয় বৌদ্ধধর্ম, দর্শন এবং সংস্কৃতির প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট ওকাকুরা এবং সদ্য শান্তিনিকেতনে আশ্রমিক শিক্ষাগুরু হিসেবে আবির্ভূত রবীন্দ্রনাথের যৌথ আগ্রহ ও পৌরোহিত্য প্রত্যক্ষভাবে জাপান-বাংলা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ভাববিনিময়ের সূত্রপাত ঘটে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন