সুন্দর সূচনায় সামান্য গোচোনা না দিলেই নয়

www.ajkerpatrika.com আজাদুর রহমান চন্দন প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫১

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই বিজয়ী দলের নেতা ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল অন্যান্য দলের নেতাদের বাসায় গিয়ে তাঁদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বহু বছর এ দেশের বিজয়ী ও পরাজিত দলগুলোর নেতাদের বলতে গেলে মুখ দেখাদেখি বন্ধ থাকার পর এ সৌজন্য সাক্ষাতের ঘটনা সব স্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বঙ্গভবনের দরবার হলের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত স্থানে সরকারের শপথ নেওয়ার মাধ্যমেও তারেক রহমান চমক দেখিয়েছেন। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে রাস্তা পেরিয়ে নিজ দপ্তরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। যে দেশে ভিভিআইপি তথা রাষ্ট্রীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে অন্য সব যান চলাচল বন্ধ রাখার চল, সে দেশের নতুন সরকারের জন্য এর চেয়ে শুভ-সুন্দর সূচনা আর কী হতে পারে! শুধু এই একটি পদক্ষেপের জন্যই সরকারপ্রধানের প্রশংসা প্রাপ্য। জনগণ অকুণ্ঠ প্রশংসাও করছে।


সাময়িকভাবে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপভোগ্য মনে হলেও ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশ ও এর অতি ব্যস্ত রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবন থেকে নিয়মিত ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে ৪০-৫০ মিনিটে সচিবালয়ে গিয়ে অফিস করবেন, এমনটি খুব বেশি দিন চালিয়ে যাওয়া কতটা সম্ভব হবে, সেটাও ভেবে দেখা দরকার। সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধানের মুভমেন্ট বা চলাচলের জন্য প্রতিবার আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকার অভিজ্ঞতা আছে নাগরিকদের। সেই বাস্তবতায় পুরো রাস্তা ফাঁকা না করেও সরকারপ্রধানের গাড়িবহরকে যাতে ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে থাকতে না হয়, তেমন একটি ব্যবস্থা চালু করতে পারলেই মানুষ অনেকটা স্বস্তি পাবে। কারণ এ দেশের জনগণ এতটাও অবিবেচক নয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও