শারমিন লাকী যেভাবে তারুণ্য ধরে রেখেছেন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৩৬

শারমিন লাকীর সৌন্দর্যের বিশেষ দিক—অতিরঞ্জিত গ্ল্যামারের বদলে স্বাভাবিকতা ও আত্মবিশ্বাস। মিষ্টি হাসি ও প্রাণবন্ত অভিব্যক্তি তাঁকে পর্দায় আলাদা করে তুলেছিল। এখনো তেমনিই আছেন। কীভাবে সম্ভব হলো, জানতে চেয়েছিলাম তাঁর কাছে। জবাবে লাকী বলেন, স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় পরিবর্তন আসবে।


আমি প্রকৃতিবিরুদ্ধ মানুষ নই। চেহারা ও গঠনের এমন পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছি আর স্বাভাবিক গতিতে যেতে দিয়েছি। তাই বোটক্স, ফিলার বা অন্য কোনো মাধ্যমে তারুণ্য ধরে রাখার চেষ্টা করিনি।


শারমিন লাকী জানালেন, বছরের অর্ধেক সময় এখন পর্তুগালে থাকেন, বাকি সময় বাংলাদেশে। এর মধ্যেই নিজের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেন। তারুণ্য ধরে রাখার টিপসগুলো পাঠকদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন।


শরীর ঠিক রাখতে


প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটার চেষ্টা করেন শারমিন লাকী। হাঁটা অনিয়মিত হলে অপরাধবোধে ভোগেন। খেলাধুলা করতে পছন্দ করেন। শারমিন লাকী বললেন, একটা সময় খুব ব্যাডমিন্টন খেলতাম, এখন সেটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে।


তাই সেই সময়টা হাঁটার চেষ্টা করি। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করি, চিকিৎসকের পরামর্শে কিছু যোগব্যায়াম করি। কিন্তু শুরু থেকে কখনোই আমার জিমে যাওয়া হয়ে ওঠেনি।


রোজকার খাবার


হাঁটাহাঁটি করার পর সকালে খালি পেটে গুঁড়া হলুদের সঙ্গে অল্প গোলমরিচের গুঁড়া কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। মাঝেমধ্যে এতে লেবুর রস, কখনো আবার চিয়া সিড যুক্ত করেন। আর সেই সঙ্গে হাতের কাছে পাওয়া যায় এমন মৌসুমি যেকোনো ফল খান।


সকালের নাশতায় থাকে চা-টোস্ট বা একটুকরা পাউরুটি। শারমিন লাকী ভাত-পাগল মানুষ তাই দুপুরে ভাত খান। সঙ্গে থাকে শাকসবজি, মাছ। তবে বহু বছর ধরে মাংস খান না। রাতে খাবারের তালিকায় ভাত, কখনো রুটি-ভাজিও থাকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও