নির্বাচন : নৈতিকতা বিসর্জন দেওয়া যাবে না

যুগান্তর ড. মো. জাফর উল্লাহ প্রকাশিত: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৪

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ এক গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তবে এটি শুধু একটি নির্বাচন নয়, এটি একই সঙ্গে আমাদের রাজনৈতিক নৈতিকতা ও মূল্যবোধের এক কঠিন পরীক্ষা। নির্বাচন স্বভাবতই প্রতিযোগিতামূলক। মতভেদ থাকবে, বিতর্ক হবে, জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা চলবে। কিন্তু এ প্রতিযোগিতা যদি নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে গড়িয়ে যায়, তাহলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় গণতন্ত্র নিজেই।


বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের প্রচারের ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ দিয়েছে। প্রার্থীরা ইশতেহার ঘোষণা করতে পারেন, সভা-সমাবেশ করতে পারেন, ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন, উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন এবং আইনসম্মত সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক আয়োজনও করতে পারেন। কোনো কোনো আসনে পাঁচজনেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এমনকি চলমান নির্বাচনে দেখা যাচ্ছে, একই রাজনৈতিক দলের একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসাবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসবই গণতান্ত্রিক ও আইনসংগত রাজনৈতিক বহুত্ববাদের অংশ। কিন্তু যে বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, তা হলো প্রতিদ্বন্দ্বীকে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তার মানহানি করা। রাজনৈতিক মতভেদ স্বাভাবিক, নীতিগত সমালোচনা বৈধ; কিন্তু মিথ্যাচার, চরিত্র হনন ও সাজানো কাহিনি ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির মারাত্মক বিচ্যুতি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও