ইরানে আহত বিক্ষোভকারীরা কেন হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে চান না

প্রথম আলো ইরান প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:০৮

ইরানের ইস্পাহান শহরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন তারা (ছদ্মনাম) ও তাঁর বন্ধু। এ সময় মোটরসাইকেলে করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এসে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে চিৎকার করতে শুরু করেন।


তারা বলেন, ‘আমার বন্ধু নিরাপত্তা বাহিনীর এক সশস্ত্র সদস্যকে বলেছিল, “আমাদের গুলি করবেন না।” কিন্তু তখনই ওই সদস্য আমাদের দিকে কয়েকটি গুলি ছোড়েন। আমরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। আমাদের জামাকাপড় রক্তে ভেসে যায়।’


এরপর তারা ও তাঁর বন্ধুকে অপরিচিত এক ব্যক্তির গাড়িতে তোলায় হয়। তারা বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ঝুঁকি থাকায় তাঁরা হাসপাতালে যেতে ভয় পাচ্ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘সব অলিগলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যে ভরা ছিল। এক দম্পতি নিজেদের বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমরা সেখানে গিয়ে তাঁদের কাছে আশ্রয় চাই।’


তারা বলেন, ওই রাতে তিনি ও তাঁর বন্ধু সেই দম্পতির বাড়িতে ছিলেন। ভোরে তাঁরা পরিচিত এক চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। চিকিৎসক তাঁদের পায়ের বুলেটের ক্ষত পরিষ্কার করে দেন।


তারা আরও বলেন, পরে এক সার্জন বাড়ি গিয়ে তাঁদের শরীর থেকে কিছু বুলেটের ক্ষুদ্রাংশ বের করতে সক্ষম হন। কিন্তু সতর্ক করে বলেন, ‘সব বের করা সম্ভব নয়। এগুলো তোমাদের শরীরের ভেতরেই থেকে যাবে।’


নিরাপত্তার স্বার্থে এই প্রতিবেদনের সব নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।


ইরানে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে সরকার ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ওপর সংবাদ সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন–পীড়নে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও