আরব দেশগুলোকে যুদ্ধে জড়ানোর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কূটকৌশল কতটা সফল হবে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি কৌশলগত চিত্রনাট্য যেন নিজ থেকেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ওয়াশিংটন ও পশ্চিম জেরুজালেমের কাছে এ অভিযান ছিল তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রদর্শনের এক মোক্ষম সুযোগ, যার স্থায়িত্ব হবে কম, লক্ষ্য হবে নিখুঁত আর মনস্তাত্ত্বিকভাবে যা হবে চূড়ান্ত।
হামলা শুরুর দিকের ধরন দেখে অনেক বিশ্লেষক মনে করেছিলেন, এর উদ্দেশ্য কেবল কিছু স্থাপনার ক্ষতি করা নয়; বরং ইরান রাষ্ট্রের স্নায়ুতন্ত্র অচল করে দেওয়া। অর্থাৎ দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে, এমন কমান্ড সেন্টার ও নীতিনির্ধারণী কাঠামোতে আঘাত হানা।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যমগুলোর বিস্তারিত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ আগ্রাসনের একেবারে শুরুতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। যদিও এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে এখনো বিতর্ক আছে। তবে দৃশ্যত, এটি যে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে পুরোপুরি নির্মূল করার একটি নীলনকশা ছিল, তা স্পষ্ট।