দাঁত ব্রাশ করার জন্য কোন আকারের টুথব্রাশ ভালো?
দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত ও সঠিকভাবে ব্রাশ করা অপরিহার্য।
অনেকেই দাঁত ব্রাশ করেন, তবে সঠিক কৌশল ও উপযুক্ত ব্রাশ ব্যবহার না করলে প্লাক অপসারণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের দন্তচিকিৎসক ডা. মো. সেলিম ইফতিখারের মতে, টুথব্রাশের আকার, বিশেষ করে মাথার আকার— দাঁত পরিষ্কারের কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রতিদিন দাঁত মাজার সঠিক কৌশল
প্রতিদিন অন্তত দুবার, সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে— দাঁত ব্রাশ করা উচিত। প্রতিবার কমপক্ষে দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত মাজতে হবে।
ব্রাশটি দাঁতের সঙ্গে ৪৫ ডিগ্রি কোণে রেখে দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থল থেকে শুরু করুন। দাঁতের গোড়ার দিকে ধীরে ধীরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ও হালকা ঝাঁকিয়ে পরিষ্কার করুন।
টুথব্রাশ যখন পরিবর্তন করবেন
ব্রাশের ‘ব্রিসলস’ যখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায়, বাঁকা হয়ে যায় বা সমতল অবস্থান হারায়, তখনই এটি পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
ডা. ইফতিখারের মতে, “সাধারণত নিয়মিত ব্যবহারে দুই থেকে তিন মাস পর ব্রাশের কার্যকারিতা কমে যায়।”
বড় মাথা না ছোট মাথার ব্রাশ— কোনটি উত্তম?
অনেকে ভাবেন বয়স বাড়লে বড় মাথার ব্রাশ প্রয়োজন, তবে এই ধারণা সঠিক নয়।
এই চিকিৎসক ব্যাখ্যা করেন, “বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য ছোট বা স্ট্যান্ডার্ড আকারের মাথার ব্রাশ (প্রায় আধা ইঞ্চি চওড়া ও এক ইঞ্চি লম্বা) সবচেয়ে কার্যকর। ছোট মাথা মুখের কঠিন স্থানে, যেমন- পেছনের দাঁত বা ‘মোলার’-এর পেছনে সহজে পৌঁছায় এবং ভালোভাবে পরিষ্কার করে।”
- ট্যাগ:
- লাইফ
- দাঁত ব্রাশ