এম্পটি নেস্ট ডিভোর্স ও দাম্পত্যের নতুন সমীকরণ

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৩:২৬

দাম্পত্যজীবনের এক দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পর অনেক যুগল এমন একপর্যায়ে পৌঁছান, যখন তাঁদের সন্তানেরা বড় হয়ে পড়াশোনা বা কাজের প্রয়োজনে ঘর ছেড়ে চলে যায়। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই সময়টাকে বলা হয় ‘এম্পটি নেস্ট’ বা খালি বাসা। গত কয়েক দশকে বিশ্বজুড়ে একটি বিশেষ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে—সন্তানেরা ঘর ছাড়ার পরপরই অনেক দম্পতি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এই বিষয়কে বিশেষজ্ঞরা এম্পটি নেস্ট ডিভোর্স হিসেবে অভিহিত করছেন।


কেন বিচ্ছেদ বাড়ছে


সন্তান লালন-পালন করার সময় মা-বাবার সব মনোযোগ থাকে সন্তানের ওপর। কিন্তু সন্তান চলে যাওয়ার পর যখন স্বামী-স্ত্রী একা হয়ে পড়েন, তখন সম্পর্কের কিছু ধামাচাপা পড়া সত্য সামনে চলে আসে। যেমন—


সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়ন: দীর্ঘ ২০-২৫ বছর পর দম্পতিরা যখন একে অপরের মুখোমুখি বসেন, তখন তাঁরা নিজেদের সামঞ্জস্য নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। অনেক সময় দেখা যায়, সন্তানের জন্য তাঁরা একসঙ্গে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু নিজেদের মধ্যে ভালোবাসার টানটুকু আর অবশিষ্ট নেই।

আগ্রহের ভিন্নতা: সন্তানের পেছনে সময় দিতে দিতে স্বামী-স্ত্রী হয়তো ভুলেই যান, তাঁদের ব্যক্তিগত শখ বা লক্ষ্য কী ছিল। একা হওয়ার পর দেখা যায়, দুজনের রুচি ও আগ্রহ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে।


যোগাযোগের অভাব: বছরের পর বছর ধরে কেবল সন্তানসংক্রান্ত আলাপ করতে করতে দম্পতিদের মধ্যে মানসিক ও আবেগময় যোগাযোগের ঘাটতি তৈরি হয়। সন্তান চলে গেলে তাঁরা বুঝতে পারেন, তাঁদের মধ্যে কথা বলার মতো কোনো সাধারণ বিষয় আর নেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও