ইউরোপকে ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী শক্তি হতে হবে, দেরিতে প্রতিক্রিয়া জানানো শক্তি নয়

বণিক বার্তা ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৪

সবাই সেই বিখ্যাত বিল মারে ও অ্যান্ডি ম্যাকডোয়েল অভিনীত আমেরিকান চলচ্চিত্র ‘‌গ্রাউন্ডহগ ডে’কে স্মরণ করি। কিন্তু কেউই চাইবে না সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর একই জিনিস বারবার করে যেতে। কিন্তু বাস্তবে আমরা ঠিক সেভাবেই বেঁচে আছি। এটাই আমাদের জীবন, আর এমন প্রতিটি ফোরাম সেটাই প্রমাণ করে। ঠিক গত বছর, ইউরোপকে জানতে হবে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়—এ কথা দিয়েই দাভোসে আমি আমার ভাষণ শেষ করেছিলাম। এক বছর কেটে গেছে, কিন্তু কিছুই বদলায়নি। আজও আমাকে একই কথা বলতে হচ্ছে। কিন্তু কেন? উত্তরটা শুধু সম্ভাব্য হুমকির মধ্যেই নিহিত নয়; প্রতি বছরই ইউরোপ ও বিশ্বের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসে। সবাই এখন গ্রিনল্যান্ডের দিকে তাকিয়ে আছে, কিন্তু বেশির ভাগ নেতাই বুঝতে পারছেন না, এ নিয়ে কী করা উচিত। মনে হচ্ছে সবাই শুধু অপেক্ষা করছে—আমেরিকা যেন এ বিষয়টা নিয়ে ঠাণ্ডা হয়, আশা করছে ব্যাপারটা এমনিতেই মিলিয়ে যাবে। কিন্তু যদি না যায়? তখন কী হবে?


ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে অনেক কথা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো রক্তে ডুবে গেছে। বিশ্বনেতারা ইরানের জনগণকে সাহায্য করেনি। এটা সত্য, বিশ্ব পাশে দাঁড়ায়নি। ইউরোপে তখন বড়দিন ও নববর্ষের ছুটি চলছিল। রাজনীতিবিদরা কাজে ফিরতে ফিরতে, অবস্থান নিতে নিতে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন। এ রক্তপাতের পর ইরানের কী হবে? যদি সেই শাসন টিকে যায়, তবে তা প্রতিটি দাদাগিরি করা শাসকের জন্য স্পষ্ট বার্তা দেয়—মানুষ মারো, তাহলেই ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়। ইউরোপে কে চায় এ বার্তা বাস্তবে রূপ নিক? অথচ ইউরোপ এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করেনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও