বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের সুরতহাল

যুগান্তর মোহাম্মদ কামরুল আহসান প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪২

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বীরত্বগাথা ও রাজনীতিবিদ হিসাবে চরিত্র বিনির্মাণ করতে হলে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও থিয়েটার রোডের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ ও স্বরূপ, পঁচাত্তরের পরের দিশেহারা রাজনীতির প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান ও এর সঠিক উপলব্ধি ও সবিচার বিশ্লেষণ প্রয়োজন।


পেশাদারত্ব তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম প্রধান একটি দিক। সৈনিক জিয়া ১৯৬৫ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে পোস্টিং পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়। তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘আলফা কোম্পানির’ কমান্ডার হিসাবে ‘খেমকারান’ রণাঙ্গনের বেদিয়ান-এ যুদ্ধে সাহসিকতা প্রদর্শন ও পেশাদারত্বের কৃতিত্ব হিসাবে তার কোম্পানির সর্বাধিক বীরত্বসূচক পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে মেজর জিয়া ঢাকায় পোস্টিংয়ের সুবাদে দেশে ফিরে আসেন। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের দ্বিতীয় প্রধান হিসাবে চট্টগ্রামে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পার না হতেই পরিস্থিতি বিস্ফোরোণ্মুখ হয়ে উঠতে থাকে। শুরু হয় ২৫ মার্চের কালরাত। বেগম খালেদা জিয়া ও দুই শিশু সন্তানকে চট্টগ্রামে অরক্ষিত অবস্থায় রেখেই মেজর জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর এ অবস্থার অবসান হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও