তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে দলীয় ১৫ নেতা-কর্মী খুন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:০০

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিনই দুর্বৃত্তের গুলির নিশানা হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। তাতে রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দেয় উদ্বেগ। ভোটের দিন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ার কথা বলা হলেও উৎকণ্ঠার অবসান ঘটছে না। হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, তফসিল ঘোষণার পর গত ৩৬ দিনে সারা দেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা–কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।


তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীই বেশি। আর হত্যাকাণ্ডগুলোর বেশির ভাগই ঘটেছে অবৈধ অস্ত্রে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ‘প্রস্তুত’ থাকার কথা বললেও ভোটের আগে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না রাজনীতিবিদ ও পর্যবেক্ষকেরা।


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে, ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামবেন প্রার্থীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন অবস্থায় একের পর এক হত্যার ঘটনা এবং অনেক ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখনই যদি এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে নির্বাচনে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী দলের কাছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কারণে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে প্রার্থীদের অনেকে শঙ্কিত হয়ে পুলিশি নিরাপত্তাও চান, কেউ কেউ তা পেয়েছেনও।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও