‘বাড়তি ভাড়ায় ইঞ্জিন কভারে বসলেও দুঃখ নেই, বাড়ি তো যেতে পারবো’

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১৮:০৪

ঘণ্টাখানেক ধরে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে কোনো কাউন্টারেই নেই টিকিট। শেষে আশার আলো মিললেও বসতে হলো ইঞ্জিন কভারে। ভাড়া স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি। তবে বাড়তি ভাড়া নিলেও নেই দুঃখ। দিনশেষে যেতে পারবেন আপন ঠিকানায়।


কথাগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন রকির। লেখাপড়ার পাশাপাশি চাকরি করেন তিনি। ছুটি পেয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মাগুরার টিকিট নিতে আসেন রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় টিকিট পাওয়া মাত্রই তার মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি।


আরাফাতের মতো টিকিট না পাওয়ার অভিযোগ বহু যাত্রীর। এমনকি অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও মিলছে না বাসের টিকিট। তবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন কাউন্টারে কর্মরতরা।


পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবারও গাবতলী বাস টার্মিনাল দিয়ে ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ। এদিন যাত্রীচাপ তুলনামূলক কম। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের অনেক বাস কাউন্টারের সামনেই কোনো ভিড় দেখা যায়নি। দুপুর গড়াতে যাত্রীশূন্য হয়ে পড়ে বেশ কিছু কাউন্টার।


মাগুরাগামী যাত্রী রকি বলেন, এক ঘণ্টা ধরে চেষ্টা করেও কোনো টিকিট পাইনি। টিকিটের সংকট দেখিয়েছেন কাউন্টার মাস্টাররা। এছাড়া আমি যাবো মাগুরায়, কিন্তু ভাড়া চাওয়া হয় মেহেরপুরের মুজিবনগরের। অর্থাৎ আমাকে পুরো ভাড়া দিতে হবে তাদের। তবে বহু চেষ্টার পর ৬৫০ টাকায় একটি টিকিট পেলেও বসতে হবে ইঞ্জিন কভারে। স্বাভাবিক সময়ে এ ভাড়া ৫০০ টাকা নেওয়া হতো।


তিনি বলেন, বাড়তি ভাড়ায় ইঞ্জিন কভারে বসলেও দুঃখ নেই। কারণ দিনশেষে বাড়ি তো যেতে পারবো। বাসায় পৌঁছাতে পারলে এই ভোগান্তিটা স্বস্তিতে পরিণত হবে। এখন একটাই উদ্দেশ্য যেভাবেই হোক বাড়ি যাওয়া। তবে যাত্রীদের ভোগান্তি বিবেচনায় সরকারের নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন এই যাত্রী।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও