You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সিলিন্ডার গ্যাসের খরচ কমানোর পন্থা

রান্নাঘরের দৈনন্দিন খরচের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে সিলিন্ডার গ্যাস।

পাইপলাইনের বাইরে থাকা অনেক পরিবারই গ্যাস সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরশীল। তবে রান্নার এই জ্বালানির বাড়তি দাম চিন্তায় ফেলেছে অনেক পরিবারকেই।

তাই সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়তি মাসিক খরচ কমানো যেমন সম্ভব, পাশাপাশি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা যায়।

রান্নার আগে পরিকল্পনার গুরুত্ব

গ্যাস সাশ্রয়ের প্রথম ধাপ শুরু হয় রান্নার আগেই। কী রান্না করবেন, কত সময় লাগবে— এই পরিকল্পনা থাকলে চুলা অকারণে জ্বালিয়ে রাখার প্রবণতা কমে বলে মনে করেন, সরকারি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহায়ণ ও গৃহব্যবস্থাপনা বিষয়ের অধ্যাপক রিনাত ফৌজিয়া।

“সব উপকরণ ধুয়ে, কেটে, মাপমতো প্রস্তুত করে রাখলে চুলা জ্বালানোর সময় কম লাগে। একাধিক রান্না একসঙ্গে করলে বারবার চুলা জ্বালানো–নেভানোর প্রয়োজন পড়ে না, এতে গ্যাস কম খরচ হয়” বলেন তিনি।

সঠিক চুলা ও বার্নার ব্যবহার

চুলা ও বার্নারের মান গ্যাস ব্যবহারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। পুরানো বা নষ্ট বার্নার গ্যাস বেশি খরচ করে এবং আগুন সমানভাবে ছড়ায় না।

গ্যাসের চুলা মেরামত কর্মী হৃদয় হোসেন বলেন, “কিছু দিন পরপর বার্নারের ছিদ্র পরিষ্কার রাখা জরুরি, কারণ ময়লা জমলে আগুন হলুদ হয়ে যায় এবং গ্যাস অপচয় হয়। আগুন সবসময় নীল থাকলে বুঝতে হবে গ্যাস সঠিকভাবে জ্বলছে।”

হাঁড়ি–পাতিলের আকার ও উপাদান

হাঁড়ি বা পাতিলের আকার চুলার আগুনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া দরকার বলেও মনে করেন, রিনাত ফৌজিয়া।

খুব ছোট পাত্রে বড় আগুন দিলে গ্যাস অপচয় হয়, আবার বড় পাত্রে ছোট আগুন দিলে রান্না হতে বেশি সময় লাগে।

ভারী তলার হাঁড়ি তাপ ধরে রাখে, ফলে কম আগুনেও রান্না ভালো হয়। ঢাকনা ব্যবহার করলে ভেতরের তাপ বের হয় না, রান্নার সময়ও কমে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন