জুলাই অভ্যুত্থানের পরে ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি এখন সংকটাপন্ন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত শুক্রবার জুমার নামাজের পরে নির্বাচনি প্রচার চালানোর সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। চিকিৎসকরা বলছেন, হাদির কানের একপাশ দিয়ে গুলি ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করার পর বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছিলেন ওসমান হাদি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার ঠিক পরদিনই এই ঘটনা অনেকগুলো প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারা হাদিকে কী উদ্দেশ্যে গুলি করলো—সেটি যেমন প্রশ্ন, তেমনি হাদিকে হত্যাচেষ্টা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ, নাকি এরকম আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাকে টার্গেট কিলিংয়ের জন্য এটি একটি ‘টেস্ট কেস’—সেই আলোচনাও জোরদার হচ্ছে।