এআইওটি: বাংলাদেশের স্মার্ট ভবিষ্যতের চাবিকাঠি

প্রথম আলো এম এম শহিদুল হাসান প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৩:০৬

আমরা এখন বসবাস করছি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে, যেখানে প্রযুক্তি অভাবনীয় গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রসারিত ডেটা সংরক্ষণ, বিপুল পরিমাণ ডেটা ব্যবস্থাপনা এবং বজ্রগতির প্রক্রিয়াকরণ ইতিমধ্যেই দেখিয়ে দিয়েছে উদ্ভাবন আমাদের কত দূর নিয়ে গেছে। তবে প্রকৃত পরিবর্তন আসে যখন ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) একত্রিত হয়। এ সংমিশ্রণকে বলা হয় এআইওটি (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অব থিংস)—যা ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রয়োগের ধরনকে আমূল পাল্টে দিচ্ছে। এখন আর মেশিন শুধু নির্দেশ মেনে চলে না; তারা মানুষের মতো চিন্তাভাবনার কাছাকাছি গিয়ে সিদ্ধান্তও নিতে পারে।


আইওটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়—এটি ভবিষ্যতের জানালা। দেশগুলোর জন্য আসল চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ হলো কতটা কার্যকরভাবে তারা এই শক্তিকে কাজে লাগাতে পারে। সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে আইওটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে, শিল্প খাতকে রূপান্তরিত করবে এবং দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্মার্ট, নিরাপদ ও দক্ষ করে তুলবে। এখন প্রশ্ন আর এই নয় যে এই রূপান্তর ঘটবে কি না; বরং প্রশ্ন হলো—সমাজগুলো কত দ্রুত এটিকে গ্রহণ করতে পারবে এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে।


ইন্টারনেট অব থিংস ইতিমধ্যেই আধুনিক প্রযুক্তিকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে। এটি স্মার্ট ডিভাইস ও নেটওয়ার্কের একটি আন্তসংযুক্ত ইকোসিস্টেম তৈরি করে, যেখানে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ, স্বয়ংক্রিয়তা এবং ডেটা বিনিময় সম্ভব হয়। আইওটি সিস্টেম সাধারণত লো-পাওয়ার ইলেকট্রনিকস এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে, যা দক্ষ, সম্প্রসারণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে। বাস্তবে আইওটি ব্যবহৃত হয় তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বিদ্যুৎ খরচ, গাড়ির অবস্থান বা স্বাস্থ্যগত সূচক পর্যবেক্ষণে।


এখন বাড়ির বাসিন্দারা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে দূর থেকেই বাতি বা এসি চালু-বন্ধ করতে পারেন। কৃষকেরা স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার ব্যবহার করেন, যা মাটির আর্দ্রতা একটি নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে নামলেই চালু হয়ে যায়। মেশিনগুলো তাদের কম্পনের ডেটা সংরক্ষণ করে, যাতে টেকনিশিয়ান পরে পরীক্ষা করতে পারেন। তবে আইওটি-এর একটি সীমাবদ্ধতা আছে—এটি বিপুল পরিমাণ ডেটা তৈরি করে, কিন্তু সেগুলোর গভীর বিশ্লেষণ করতে পারে না। সেখানে এখনো মানুষের ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়।


সেখানেই আসে এআই, আইওটির সেন্সিং ও সংযোগের ওপর ‘চিন্তা ও শেখার’ স্তর যোগ করে এআই এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করে, যা শুধু ডেটা সংগ্রহই নয়, বরং বিশ্লেষণ, পূর্বাভাস ও বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম—অনেক সময় মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই। শিল্প খাতে ইতিমধ্যেই এআইওটি শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।


উন্নত যন্ত্রপাতি এখন পূর্বাভাস ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ-এর মাধ্যমে আগে থেকেই সমস্যার পূর্বাভাস দিতে পারে। স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, সিঙ্গাপুর, ভারত, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে উৎপাদনপ্রক্রিয়া আমূল বদলে যাচ্ছে। এই রূপান্তরে আইওটি হচ্ছে ‘চোখ ও কান’—ডেটা সংগ্রহ ও প্রেরণের কাজ করছে, আর এআই  হচ্ছে ‘মস্তিষ্ক’—ডেটা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও