
জাকসু নির্বাচনে ছাত্রীরা ‘কোণঠাসা’, কেমন হবে ভোট?
চব্বিশের জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনের শুরু থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা সামনের কাতারে থাকলেও এক বছর পরে এসে ভিন্ন এক চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে তাদের উপস্থিতি অনেক কম।
অর্ধেক ছাত্র আর অর্ধেক ছাত্রীর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-জাকসু নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায় মেয়েরা যেমন পিছিয়ে, তেমনি ছাত্রী হলেও তারা পুরোপুরি সক্রিয়ও নয়।
জাকসুর মোট প্রার্থীর ২৫ শতাংশ ছাত্রী, বাকি ৭৫ শতাংশই ছাত্র। ভিপি পদে কোনো নারী শিক্ষার্থী প্রার্থী হননি। জিএস পদে ১৫ জনের প্রার্থীর মধ্যে মেয়ে দুইজন। আর চারটি পদে কোনো মেয়ে প্রার্থেই নেই। সবগুলো হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থীর ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ ছাত্রী। আর মেয়েদের হলগুলোর পাঁচটিতে ১৫ পদে প্রার্থীই নেই।
মেয়েদের এমন এ অবস্থা কেন? অনেকেরই প্রশ্ন। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের জায়গায় আসতে ‘অনীহার’ কারণগুলোও তারা চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছেন।
তাদের মতে, ‘সাইবার বুলিংয়ের’ মতো ঘটনা জাকসু নির্বাচনে মেয়েদের নিরুৎসাহিত হওয়ার কারণ।
অনেকের আশঙ্কা, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে ভোটকেন্দ্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ও হল সংসদে মোট ৭৪০টি মনোয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন পদে ৫৫৫ জন ছাত্র প্রার্থী হয়েছেন; আর ছাত্রী ১৮৫ জন।