সাংস্কৃতিক, প্রজন্মগত ও নৈতিক উন্নয়ন জরুরি কেন?

ঢাকা পোষ্ট ড. সুলতান মাহমুদ রানা প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:০৩

সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, প্রজন্মগত অগ্রগতি এবং নৈতিক বিকাশ একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মৌলিক স্তম্ভ। এই তিনটি অঙ্গীভূত উপাদান একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং একটি দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।


তাত্ত্বিকদের বিশ্লেষণ ও মতামতের আলোকে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মার প্রতিফলন। এটি শুধু শিল্প, সাহিত্য, সংগীত বা ঐতিহ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি সমাজের জীবনযাপন, মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং অভ্যাসের সমন্বিত রূপ। সাংস্কৃতিক উন্নয়ন বলতে বোঝায় একটি সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ, প্রচার এবং আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া।


সমাজবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও নীতিবিদদের মতে, একটি জাতির উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে না; বরং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা গঠনের ওপরও নির্ভরশীল। তাত্ত্বিক এডওয়ার্ড টেইলর (Edward Taylor) সংস্কৃতিকে সংজ্ঞায়িত করেছেন ‘জ্ঞান, বিশ্বাস, শিল্প, নৈতিকতা, আইন, প্রথা এবং সমাজের সদস্য হিসেবে মানুষের অর্জিত অন্যান্য দক্ষতা ও অভ্যাসের সমন্বিত রূপ’ হিসেবে।


সাংস্কৃতিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি দেশ তার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা জাগ্রত করে। এটি সমাজের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি এবং জাতীয় পরিচয় তৈরি করে। সাংস্কৃতিক উন্নয়ন বলতে বোঝায় একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, ভাষা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ।


দার্শনিক এডওয়ার্ড সাঈদ (Edward Said) তার ‘Orientalism’ বইতে দেখিয়েছেন, সাংস্কৃতিক পরিচয় কীভাবে গঠিত হয় এবং কীভাবে উপনিবেশবাদ সাংস্কৃতিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এছাড়া পিয়েরে বোর্দিউ (Pierre Bourdieu) তার ‘Cultural Capital’ তত্ত্বে ব্যাখ্যা করেছেন যে, সংস্কৃতি একটি সমাজের ক্ষমতা কাঠামোর অংশ। যারা সংস্কৃতি ও জ্ঞান অর্জন করে, তারা সমাজে নেতৃত্বের আসনে বসে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও