
চরমপন্থার নয়া রিহার্সাল রহস্যজনক
আর্থসামাজিক হাল বাস্তবতায় তারা গরম, চরম, নরম, পরম কোনোটাই নয়। শরম পাওয়ার অভ্যাসও নেই। পুরোটাই টিকে থাকার তাড়নার বিষয়। খেয়ে, না খেয়ে, মাঝেমধ্যে কারও পরমাদরে পড়ে যূথবদ্ধতায় তেজি হয়ে ওঠে। ঘটায় অঘটন। হয় শিরোনাম। নাম পড়ে গরমপন্থি, চরমপন্থি, উগ্রবাদী, সর্বহারা, লাল-নীল পতাকাসহ নানান কিছুর। আদতে তাদের বেশিরভাগই অভাবী।
অভাব-অনটনসহ নানা কষ্টে দিগি¦দিক হারা। কোনো মতে, একটু স্বস্তিতে, নিরাপদে জীবন সাঙ্গ করতে পারলেই সন্তুষ্ট। কিন্তু, সেই সুযোগ মেলে না। ব্যক্তি বা মহল বিশেষের খপ্পর-টার্গেটেরই জয় হয়। হয়ে আসছে এভাবেই। সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, মেহেরপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় সামাজিক বাস্তবতার গভীর চিত্র এটিই। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সাম্প্রতিক খুন-খারাবি, চাঁদাবাজিসহ নানান অপকর্মে জড়িতদের বেশিরভাগই এ সম্প্রদায়ের। রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি, কোনো নীতিই তাদের নেই। বোঝে কামাই-রোজগারের নীতি। আড়ালে-আবডালে থেকে তাদের সেই বন্দোবস্তটা কে করে দিচ্ছে? কাদের বধ করার উদ্দেশ্যে সর্বহারা ‘চরমপন্থি’ নামে কিছু মানুষকে সংগঠিত করা হচ্ছে?