You have reached your daily news limit

Please log in to continue


চাষিদের কি রাজু ভাস্কর্যে আসতে হবে

রাজবাড়ী জেলার এক পেঁয়াজচাষি মুঠোফোনে জানতে চাইলেন, তাঁরা তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে ঢাকায় এলে কোথায় গেলে কাজ হবে? এর আগে ওদিকে গিয়েছিলাম পেঁয়াজের ভুয়া বীজে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের বারোটা বাজার তত্ত্বতালাশ করতে।

সেই সূত্রেই আলিমুদ্দির কল। আলিমুদ্দি ‘ইলিফের’ (রিলিফ, যাকে আজকালের সভ্য ভাষায় প্রণোদনা বলে) বীজ পাননি। তিনি সাড়ে চার হাজার টাকা কেজি দরে বাজারের বীজ কিনে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ করেছিলেন। জমি লিজ, অন্যান্য খরচসহ মোট উৎপাদন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার টাকা।

এখন উৎপাদিত পেঁয়াজ আড়তে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে। আবার চার কেজি অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। এতে লিজের খরচই উঠছে না। মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান হবে তাঁর। 

মুড়িকাটা পেঁয়াজ কেন গুরুত্বপূর্ণ

রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ছাড়া মুড়িকাটা পেঁয়াজের ব্যাপক আবাদ হয় পাবনায়। সেখানকার বিভিন্ন হাটে খোঁজ নিয়ে একই ছবি পাওয়া গেল। আতাইকুলার আড়তদার বাহারুল জানান, ‘পাঁচ বছরে এমন পতন দেখি নাই’।

পাবনায় গত বছর এ সময়েই এক মণ মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম উঠেছে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। এ বছর পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়। পাশের জেলা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চাষি জাকির জানান, তিনি ৪০ বিঘা জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করেছেন।

বর্তমান বাজারমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হলে তিনি পথে বসে যাবেন। এমন হলে চাষিরা আগামী বছর আর পেঁয়াজের চাষ করবেন না। আগের বছর লাভ হওয়ায় এ বছর প্রায় দ্বিগুণ খরচ করে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ করেছিলেন তাঁরা। 

একটু আগে যাঁরা পেঁয়াজ তুলেছিলেন, তাঁরা ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে কিছুটা দাম পেয়েছিলেন। বাজারে তখন চাষিরা বিক্রি করেছেন দুই হাজার টাকা মণ দরে। কিন্তু এ সপ্তাহে প্রতি হাটে দাম আরও কমেছে। আতাইকুলা বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। মুড়িকাটা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যায় না। ফলে দাম যা-ই হোক, বিক্রি করে দিতে হয়। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উৎপাদন খরুচে বটে, তবে তা কৃষককে শক্তি দেয় রবিশস্য ধরতে।

বন্যামুক্ত সময়টা চাষি কাজে লাগাতে চান। মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রির লভ্যাংশ থেকেই তাঁরা পরের ধাপে চারা পেঁয়াজ রোপণ করেন। কিন্তু এবার উৎপাদন খরচই উঠছে না। পরের ধাপের পেঁয়াজ আবাদ নিয়ে অনেকে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। এটাই সবচেয়ে বড় আশঙ্কার। চাষি যদি পয়সা ফেরত না পান, তাহলে তাঁরা কী দিয়ে চারা পেঁয়াজের চাষে নামবেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন