ড. নাওমি হোসাইন, যুক্তরাজ্যের সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্লোবাল রিসার্চ অধ্যাপক। কাজ করেছেন বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগসহ সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এবং ওয়াশিংটন ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটির অ্যাকাউন্টেবিলিটি রিসার্চ সেন্টারে। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের নানা প্রসঙ্গে সম্প্রতি কথা বলেছেন বণিক বার্তায়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবিদিন ইব্রাহিম
বিশ্বপরিমণ্ডলে সুপরিচিত নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা কি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কিত কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আশা করতে পারি?
হ্যাঁ, আমার এমন আশা আছে। তিনি একটি পরিচিত নাম, একটি ইতিবাচক শক্তি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে খুব ভালো পছন্দ ছিলেন। তবে আমাদের অনেক কিছু করতে হবে। আমার মনে হয়, এখন আমাদের নিজেদের গল্প বিশ্বকে জানাতে সময় দেয়া প্রয়োজন। এ কাজ আমার মতো মানুষ যারা শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন, তাদেরই ওপরই বর্তায় আমি জানি। কিন্তু আমরা সংখ্যায় কম। যদি আমেরিকান ও ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোর দিকে লক্ষ করা যায়, খুব কম বাংলাদেশী শিক্ষক সেখানে আছেন। আবার যারা রয়েছেন তারা প্রায় সবাই অর্থনীতি বিভাগে রয়েছেন। সেখানে ইতিহাসবিদ কিংবা সাহিত্য ও শিল্পে অধ্যাপনারত খুব কম শিক্ষকই আছেন। তারা কঠোর পরিশ্রমী, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অল্পসংখ্যক হওয়ার কারণে বাংলাদেশের সামগ্রিক গল্প বিশ্বপরিমণ্ডলে তুলে ধরা যায় না। কেননা বাংলাদেশে শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং এ ধরনের বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের অবশ্যই একটি উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে।