You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মাদক মাফিয়াদের আশ্রয়দাতা ছিলেন ‘চৌধুরী মামা’

ভারত থেকে দেশে মাদক চোরাচালানে বেশি ব্যবহৃত সীমান্ত এলাকাগুলোর একটি রাজশাহীর গোদাগাড়ী। এই এলাকায় রীতিমতো হেরোইন চোরাচালানের ‘অপ্রতিরোধ্য’ চক্র গড়ে উঠেছে। আইন- শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে মাঝেমধ্যে মাদক বহনকারীরা ধরা পড়লেও মাফিয়ারা থাকেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই মাফিয়াদের কেউ রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ওমর ফারুক চৌধুরীকে ডাকেন মামা, কেউ চাচা, আবার কেউ ভাই। প্রতি মাসে তাঁরা ফারুককে দিতেন মোটা অঙ্কের টাকা কিংবা গাড়ি বা অন্য উপঢৌকন।

মাদক কারবারিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে ওমর ফারুক চৌধুরী হয়ে উঠেছিলেন গডফাদার, মাদকের পৃষ্ঠপোষক। ২০১৮ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক গোপন প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে। ওই প্রতিবেদনে রাজশাহীর শীর্ষ হেরোইন কারবারিদের নামও ছিল। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এই প্রতিবেদন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়েও পাঠানো হয়। অনুলিপি পেয়েছিলেন তৎকালীন পুলিশ সুপারও (এসপি)। কিন্তু কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। এই প্রতিবেদনের পরও পরবর্তী দুটি নির্বাচনে ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মাদক কারবারিদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ওই তালিকায় সাবেক এমপি ফারুকের নাম থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর সম্প্রতি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিবেদন এসেছিল ২০১৮ সালে, আর আমি এখানে যোগ দিয়েছি এক বছর আগে। ২০১৮ সালের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেটি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন