You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ছাত্রদের এ আন্দোলনকে সহিংসতা বলব না, এটি ছিল প্রতিরোধ

প্রথম আলো: কোটা সংস্কারের আন্দোলন এত দিন শান্তিপূর্ণ ছিল, সেটি সহিংস পর্যায়ে চলে গেল কেন?

আব্দুল হাসিব চৌধুরী: এ আন্দোলন সহিংস হয়ে উঠেছে, বিষয়টিকে আমি সেভাবে দেখছি না। আন্দোলনকারীদের সহিংস মনোভাব ছিল না। যখন তাদের ওপর বাধা ও আঘাত এল, তখন তারা প্রতিরোধের পথ বেছে নিয়েছে।

এ ছাড়া রংপুরে আবু সাঈদ নামের যে ছাত্রটি পুলিশের গুলির সামনে দুই হাত ছড়িয়ে দিয়ে বুক পেতে দিয়ে মারা গেছে, সেই ছবি বিশ্বজুড়ে একটি আইকনিক ছবি হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে। কোনো মতলবি আন্দোলন এমন আইকনিক ছবি তৈরি করতে পারে না। তেজ ও শৌর্যের বিবেচনায় আন্দোলনকারীদের চেতনা ও মানসিক দৃঢ়তা আমরা বুঝতে পারি।

এই আইকনিক ছবিই আমাদের সামনে ন্যায়-অন্যায়ের প্রশ্ন প্রবলভাবে হাজির করে। এই ছবিই এই বার্তা দেয়, ছাত্ররা যে আর রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় সিস্টেমের দাস হয়ে থাকতে চায় না। ছবিটি ছাত্রদের প্রতিরোধী আন্দোলনকে বেগবান করেছে।

প্রথম আলো: পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনী, সরকারের ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মী ও বহিরাগতরা মিলে যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিল, বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?

আব্দুল হাসিব চৌধুরী: দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা ও আক্রমণ চালিয়ে যেভাবে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়া হলো, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একজন শিক্ষক হিসেবে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

কিন্তু একসময় না একসময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তো খুলে দিতে হবে। ইতিমধ্যে অনেক তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। এখন এই যে ছাত্ররা যে প্রতিরোধ-সংগ্রামের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে, ক্যাম্পাসে ফিরে কিন্তু ঠিকই তারা জ্বলে উঠবে। ক্যাম্পাস বন্ধ করে শান্তি ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত সুফল দেবে বলে মনে হয় না।

প্রথম আলো: শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে প্রাণহানি হয়েছে, সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এটি কি এখন আর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আছে মনে করেন?

আব্দুল হাসিব চৌধুরী: এটিই আসলে এই মুহূর্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। গত কয়েক রাত সারা দেশের আমাদের মায়েরা নির্ঘুম কাটিয়েছেন। তাঁদের সেই উদ্বেগ পরিবার থেকে শুরু করে সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ১৬ জুলাইয়ে রংপুরের আবু সাঈদসহ আরও ছাত্রের নিহতের ঘটনা সর্বস্তরের মানুষকে আলোড়িত করেছে। তখন এই আন্দোলন পুরোপুরি ভিন্ন একটি পর্যায়ে চলে গেছে। এটি এখন আর শুধু কোটা সংস্কারের প্রশ্ন হয়ে থাকল না।

১৯৫২ সালে যখন ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছে, শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলন কি সেখানে থাকতে পেরেছে? ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন এমনকি এরশাদের সময় মজিদ খানের শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যে আন্দোলন শুরু করেছিল, তা কি সেই আন্দোলনে থাকতে পেরেছিল?

এখন ছাত্রদের দাবিকে আপনি অগ্রাহ্য করতে থাকেন এবং মনে করেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কেউ বিভ্রান্ত করছে, তখন অবশ্যম্ভাবী এটি রাজনৈতিক হয়ে উঠবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন