You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কোটা-প্রশ্নফাঁস-রাজনীতি: সরকারি চাকরিতে তিন কাঁটা

মন্দার বাজারে চাকরি পাওয়াটা খুবই কঠিন। সরকারি চাকরি তো যেন সোনার হরিণ। তবু একটা বয়স পর্যন্ত হাল ছাড়েন না তরুণ-তরুণীরা। দিনরাত এক করে পড়ে যান চাকরির পড়া। ধাপে ধাপে দেওয়া পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও তিন বাধার পাহাড়ে ঠেকে যায় অনেক মেধাবী প্রার্থীর চাকরি পাওয়া। সেই তিন বাধা হলো কোটা, প্রশ্ন ফাঁসের মতো দুর্নীতি এবং সবশেষে রাজনৈতিক বিবেচনা।

চাকরি বঞ্চিতদের দাবি, গত পাঁচ বিসিএসে শুধু রাজনৈতিক কারণে ২৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। 

বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলন রবিউল ইসলাম (ছদ্মনাম)। তাঁর গ্রামের বাড়ি উত্তরাঞ্চলের একটি উপজেলায়। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেখানকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউলের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠান। এতে বলা হয়, রবিউলের পিতা একজন ব্যবসায়ী এবং বর্তমানে তিনি বণিক সমিতির সহসভাপতি। ২০০৭ সালে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংসদ নির্বাচনে কাজ করেছেন। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানানো হলে তিনি রবিউলের জন্য একটি আধা সরকারিপত্র (ডিও) দেন। তার ভিত্তিতে একই বছরের ৭ জুলাই ফের প্রতিবেদন দেন ইউএনও। সে প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর পিতা একজন ব্যবসায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয় নন মর্মে স্থানীয় এমপি একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন। তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত নয়। একই প্রার্থীর দুই ধরনের প্রতিবেদন থাকায় শেষ পর্যন্ত নিয়োগবঞ্চিত হন রবিউল। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন