You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভালো মানুষ, মন্দ মানুষ

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি পড়ার সুফল যেমন আছে, কুফলও আছে। সহজ করে বললে দাঁড়ায়—এমন একটা বিষয় পড়লে লাভ ও লোকসান দুটোই হয়। যখন শিক্ষার্থী ছিলাম, তখন যিনি শিক্ষা দিতেন, তাঁকে এবং নিজেকেও কোনোভাবেই স্বাভাবিক মনে হতো না।

আশ্চর্য রহস্যঘেরা মানুষের জীবন। কতই না জানা ও অজানার ভাঁজ। গোপন ও অগোপন আচরণ। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে যেমন মানবজীবনের বিকাশের ধারা উপস্থাপিত হয়, জানা যায় মায়ের গর্ভে প্রস্ফুটিত হওয়ার পর থেকে মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত মানুষের বিকাশের প্রতিটি ধাপ, তেমনি জানা যায় তার পরতে পরতে অস্বাভাবিকতার লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য। সংযুক্ত থাকে নানা ধরনের মানসিক বৈকল্যের সম্ভাবনার ইঙ্গিত। এই সব পড়ে ও জেনে কখনোই কাউকে স্বাভাবিক মানুষ মনে হতো না, নিজেকে তো নয়ই। মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ মনে হতো না।

যা হোক, লাভ হয়েছে, এমন একটা বিষয় পড়ে ব্যক্তির আচরণগত সমস্যা, যেমন—দৃষ্টিভঙ্গি, মনোভাব, চিন্তা-চেতনা ইত্যাদি সম্পর্কে এক রকম ধারণা পেয়ে যাই প্রায় ক্ষেত্রে এবং সেটা সেই ব্যক্তির সঙ্গে আলাপচারিতায়। আর লোকসানটা হলো, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সন্ধান পাওয়া কঠিন হয়ে যাওয়া। বুঝতে পারা সম্ভব বলে তেমন কাউকে পেয়ে ওঠা আর হয় না। ব্যক্তির ওপর আস্থা ও ভরসার জায়গাটা ক্ষীণ হয়ে আসে। সবাইকে মানসিকভাবে সুস্থ বলে ভাবাটা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে প্রায়ই মানুষ চিনতে পারার ঝামেলায় পড়তে হয়। তখন একধরনের হতাশা ও বিষাদ পেয়ে বসে।

ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্ব কিংবা মানুষ ও মনুষ্যত্ব—এই শব্দগুলো সমাজে বহুল প্রচলিত। কমবেশি সবাই অন্যের সম্বোধনে, সম্ভাষণে, মূল্যায়নে ব্যবহার করে থাকেন এবং সেটা প্রয়োজন মাফিক। কিংবা অপ্রয়োজনেও। যার যত বেশি প্রয়োজনবোধ, তার ও তাদের এই সব শব্দের ব্যবহার বেশি। মানবজীবনের অভিধানে এই শব্দগুলো যতটা না মর্যাদা ও ভাব নিয়ে বসে থাকে, বাস্তবে তার বিপরীত চিত্র দেখা যায়।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই শব্দের অপব্যবহার, অপপ্রয়োগ করা হয়। কারণ, প্রয়োজন কথাটা এখন আর সমষ্টির স্বার্থ বা কল্যাণে ব্যবহার হয় না। প্রয়োজন শব্দটা ব্যবহৃত হয় সম্পূর্ণ ব্যক্তিস্বার্থে, গোষ্ঠীস্বার্থে। ব্যক্তি তার ব্যক্তিস্বার্থেই অন্যকে সন্তুষ্ট করার পরিকল্পনা ও পাঁয়তারা করে। জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে বেছে নেয়। ফলে যে বস্তুত যা নয়, তার সম্পর্কে সেটাই বলা হয়। যার ভেতরে ন্যূনতম মনুষ্যত্ব নেই, তাকে সমাজের মহামানব হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। নেতিবাচক মনোভাবের ব্যক্তিকে ইতিবাচক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সমাজে এখন সেই সংস্কৃতির চর্চা হচ্ছে—কে কীভাবে লাভবান হবে কিংবা হতে পারে। বিবেক বা আদর্শের জায়গায় কেউ আর থাকছে না। মজার বিষয় হলো, বিবেক ও আদর্শহীন হয়ে যারা সমাজে বিচরণ করছে, তারা কিন্তু বুঝতে পারে না যে, তাদের বাকিরা সহজেই বুঝতে পারে এবং তাদের গ্রহণযোগ্যতা এই বাকিদের কাছে কমে গেছে কিংবা যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন