You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দুর্নীতিতে ডুবে আছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

দুর্নীতির অভিযোগ যেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পিছু ছাড়ছে না। অধিদপ্তরের তদন্তে সম্প্রতি ১৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২ বছরের মধ্যে এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠল।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটি এ বছরের শুরুর দিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও সিলেটের জকিগঞ্জের স্থানীয় অ্যাকাউন্টস অফিসের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর একটি সংঘবদ্ধ চক্রের প্রমাণ পায়।

ডেপুটি সেক্রেটারি ফজলে এলাহীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটির তদন্তে জানা গেছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আলী আশরাফ ২০২০-২০২১ এবং ২০২১-২০২২ অর্থবছরে জকিগঞ্জে যুবকদের জন্য একটি দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রকল্পে তহবিল বরাদ্দ করেছিলেন, যদিও ওই প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সালের নভেম্বরেই শেষ হয়ে যায়।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে জমা দেওয়া ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা ওই অর্থ উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেছেন।

অর্থ আত্মসাতে জড়িতরা হলেন—উপপরিচালক আলী আশরাফ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফারহাত নূর, সহকারী পরিচালক ফজলুল হক, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজহারুল কবির ও আবুল কালাম আজাদ, হিসাবরক্ষক নুরুল আমিন, অফিস সহকারী বাবুল পাটোয়ারী ও জসিম উদ্দিন, অ্যাকাউন্টস অফিসার কামাল হোসেন ও অডিটর ইকবাল মুন্সি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন