You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অব্যাহত মশার উপদ্রব, নিধন কার্যক্রম বছরজুড়ে পরিচালনা করতে হবে

এ বছর ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এবার যে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়তে পারে, তা কয়েক মাস ধরেই আলোচনায় আসছিল। বিশেষজ্ঞরা বারবার কর্তৃপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছে তা কতটা পর্যাপ্ত ছিল, এ প্রশ্ন উঠতেই পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্তৃপক্ষ অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই ডেঙ্গি এবার এতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর পরই কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে। এভাবে সাময়িক পদক্ষেপে যে সুফল মিলবে না, এ কথা বিশেষজ্ঞরা অতীতেও বারবার বলেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে পরিচালিত হচ্ছে না। তাই কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। বছরব্যাপী পরিকল্পনা অনুযায়ী যে ধরনের কাজ করা দরকার, তা হচ্ছে না। মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জনবল স্বল্পতার বিষয়টি আলোচিত। অপর্যাপ্ত সক্ষমতায় কর্তৃপক্ষ মশক নিধনে যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তাতে মানুষ কতটা সুুফল পাবে সেটাই প্রশ্ন।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের দুই কর্মকর্তার দাবি, এডিস মশার বেশিরভাগ উৎস মানুষের বাসার ভেতর ও আঙিনা। কাজেই মানুষকে নিজ নিজ বাসা ও এলাকা মশকমুক্ত রাখতে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। অভিযোগ রয়েছে, মশক নিধন কর্মকাণ্ড অভিজাত এলাকায় যেভাবে পরিচালিত হয়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের সর্বত্র সেভাবে পরিচালিত হয় না। কাজেই নগরীর সর্বত্র মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। সাধারণত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব ঘটে। এ বছর নভেম্বরেও ডেঙ্গির সংক্রমণ কমেনি। বলা হতো, এডিস মশা সকালে ও সন্ধ্যায় কামড়ে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, এডিস মশা রাতেও কামড়ায়। মশার আচরণে পরিবর্তনের বিষয়টি সবাইকে ভাবিয়ে তুলছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন