বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ তথা মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান বাংলাদেশে আসছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে এই সফরকে 'উদযাপন' বলে আখ্যায়িত করলেও পরে বলেছেন, এতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় হবে।
মুজিববর্ষ বা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বছর বছর আসে না। যেখানে কোনো রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সফর কর্মসূচির জন্য বেশ সময় ও প্রস্তুতির ব্যাপার, সেখানে কোনো উৎসব উপলক্ষে এসব শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিত্বের সফর বিশেষ কূটনৈতিক মূল্য বহন করবে, এটাই স্বাভাবিক এবং কোনো যোগ্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা মন্ত্রণালয় এ সুযোগকে কাজে লাগাবেন- এ প্রত্যাশাও স্বাভাবিক। যদিও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম কথামতে তাদের এই সফর মূলগতভাবে 'উদযাপনে' সীমাবদ্ধ থাকবে; তারপরও রাষ্ট্রীয় শীর্ষ নেতৃত্বের পরস্পরের সাক্ষাৎ, আলোচনা ওই কূটনৈতিক কাজকে এগিয়ে নেবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, এসব সফরের সময় সংশ্নিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষতির হবে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে ভারতের সঙ্গে এ যাবৎকালে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা হয়েছে, তার বাস্তবায়ন বিষয়েও আলাপ হবে। এ কারণে মোদির সফরের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও দু'দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠক হবে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.