অন্যের জায়গায় বাঁশের বেড়ায় তৈরি করা ছোট খুপরিই ছিল প্রতিবন্ধী রোজিনার ঠিকানা। উচ্ছেদের ভয় মাথায় নিয়েই বসবাস করতে হতো তাকে। নাটোরের গুরুদাসপুরের ইউএনও তমাল হোসেনের সাথে দেখা হয়েই কপাল খুলেছে প্রতিবন্ধী রোজিনা বেগমের। ঘর নির্মাণ কাজ দেখতে সরেজমিনে মাঝে মাঝেই যেতেন গুরুদাসপুরের ইউএনও।
হঠাৎ করেই প্রতিবন্ধী রোজিনা তার জীবনের গল্প ইউএনও তমাল হোসেনকে বলেন। ইউএনও তমাল হোসেন সরেজমিনে আরো খোঁজ-খবর নিয়ে তার নামে একটি ঘর বরাদ্দ করে দিয়েছেন। এখন প্রতিবন্ধী রোজিনার সপ্ন বাস্তবায়ন হবে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.