সীতাকুণ্ডের জাহাজ কারখানায় কী কারণে এত বড় দুর্ঘটনা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৪

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের একটি জাহাজভাঙা কারখানায় স্ক্র্যাপ জাহাজ কাটার সময় ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ মৃত্যু হয়েছে আট শ্রমিকের। ওই শ্রমিকেরা অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁদের সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ সহকর্মীদের। জাহাজটি কাটার আগে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে গ্যাসমুক্ত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।


আজ শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল নামের একটি কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। যে জাহাজটি কাটা হচ্ছিল সেটি এলএনজি পরিবহন করত।


মারা যাওয়া আট শ্রমিকের মধ্যে পাঁচজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন, সানি জলদাস, পলাশ জলদাস, হাবিবুর রহমান, মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন। তাঁরা ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন ভাই।


কীভাবে দুর্ঘটনা


ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক শুভ জলদাস প্রথম আলোকে বলেন, জাহাজটির এলএনজি ট্যাংক কাটার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। জাহাজের তলায় থাকা একটি ট্যাংক কাটার কাজ চলছিল। শুক্রবার সকালেও শ্রমিকেরা সেখানে কাজ করছিলেন।


শুভ বলেন, সকাল সাড়ে আটটার দিকে ফোরম্যান সাত-আটজন শ্রমিক ও কাটারম্যান নিয়ে একটি ট্যাংকের চারপাশ গোল করে কাটেন। এরপর সেখান থেকে সরে যান। প্রায় ১০ মিনিট পর গর্তটি পুরোপুরি খোলার জন্য সেখানে গেলে প্রথমে দুজন শ্রমিক জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজন শ্রমিক গ্যাসে আক্রান্ত হন। এরপর কাটিং ফোরম্যান তাঁদের উদ্ধারে এগিয়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। কী ঘটেছে, তা দেখতে একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুখে মাস্ক পরে সেখানে যান। তিনিও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।


একের পর এক শ্রমিককে আক্রান্ত হতে দেখে তিনিও এগিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানান শুভ। তিনি বলেন, দূর থেকে একটি হুক লাগিয়ে একজনকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তিনিও গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে জাহাজের বাইরে কাদামাটিতে বেহুঁশ হয়ে যান। কিছুক্ষণ অচেতন থাকার পর ক্রেন অপারেটর তাঁকে টেনে তোলেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও