সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের গুলিভর্তি পিস্তল, দুটি মুঠোফোন ও একটি ডিএসএলআর ক্যামেরার ফরেনসিক ও ব্যালিস্টিক পরীক্ষা করাতে চান না মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে আদালতে তিনি আবেদনও দিয়েছেন।
এত গুরুত্বপূর্ণ আলামতের পরীক্ষা করা কেন হবে না, জানতে চাইলে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনে করেন, এর কোনো প্রয়োজন নেই। সে কারণে তিনি এর কোনো পরীক্ষা করাতে চান না।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.